ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আন্তজেলা ডাকাত চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত নগদ দেড় লাখ টাকা, একটি গরু, জবাই করা গরুর মাংস এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো—চাঁদপুর জেলার ষোলঘর এলাকার মিজান বেপারির ছেলে ফারুক হোসেন (৩৮), বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মৃত নুরু মাতুব্বরের ছেলে শাহিন মাতুব্বর (২৭) এবং ঢাকার জুরাইন এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে মোবারক হোসেন (২৮)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনই পেশাদার ডাকাত এবং তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ভাঙ্গা থানা চত্বরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) রেজওয়ান দিপু এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সম্প্রতি ভাঙ্গা উপজেলার মহাসড়ক এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থেকে তৎপরতা জোরদার করে।
তিনি আরও জানান, দুদিন আগে মাদারীপুরের রাজৈর থানার ওবায়দুর শেখ পাবনার ঈশ্বরদীর হরণখোলা হাট থেকে তিনটি গরু কিনে একটি পিকআপে করে যাচ্ছিলেন। পথে ভাঙ্গা পৌর এলাকার প্রাণিসম্পদ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পিকআপটি থামিয়ে গরুগুলো ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নগদ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের হলে অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে এসআই মশিউর রহমান, এসআই মোশাররফ হোসেন ও এসআই মিজানুর রহমান তদন্ত শুরু করেন। পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার সিসিটিভি ফুটেজ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি গরু, জবাই করা দুটি গরুর প্রায় ২৫ কেজি মাংস, মাংস বিক্রির নগদ দেড় লাখ টাকা এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

