Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাতিয়ায় শিক্ষককে চারতলা ভবন থেকে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
জানুয়ারি ৩১, ২০২৬ ৭:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় আবু বকর ছিদ্দিক নামের এক প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে উচ্চমান সহকারী মো. নাজিম উদ্দিনের দ্বারা চারতলা ভবন থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদানে বাধা ও কারণ দর্শানো ব্যতিরেহেতু মাসিক বেতন বন্ধ করা হয়। বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ঘটনাটি ঘটেছে চলতি মাসের ১৫ জানুয়ারি, হাতিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে। আবু বকর ছিদ্দিক পশ্চিম সোনাদিয়া আব্দুল মতিন পন্ডিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুন মাসে তার প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আ. জব্বার ও উচ্চমান সহকারী মো. নাজিম উদ্দিন যৌথভাবে শিক্ষকের ছাড়পত্র খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে পূর্বের বিদ্যালয়ে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ক্লাস পরিচালনা করতে বাধ্য করা হয় এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বেতন ভাতাদি বন্ধ করে নানা ধরনের হয়রানি করা হয়।

১৫ জানুয়ারি শিক্ষক সমস্যার বিষয়ে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানকে অবহিত করলে ক্ষুব্ধ হয়ে নাজিম উদ্দিন শিক্ষাকে ভবনটির চারতলা থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন এবং শিক্ষা অফিসে আর না আসার জন্য হুশিয়ারি দেন। ঘটনার সময় শিক্ষকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাইদুর রহমান, মফিজ উদ্দিন, মো. সুমন উদ্দিন, আজিম উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম ও নাসির উদ্দিন।

অভিযোগকারী শিক্ষক জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ প্রদানের দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও এখনও নাজিম উদ্দিন ও আ. জব্বারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান ঘটনাটি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “সমস্যাটি অনেক আগে থেকেই লেগে আছে এবং এর সমাধান হওয়া দরকার।”

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসরাত নাছিমা হাবিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর আ. জব্বারের বদলির আদেশ দেয়, যা ৭ দিনের মধ্যে অজানা কারণে বাতিল হয়ে তাকে বহাল তবিয়তে রাখা হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষকের অভিযোগ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, শিক্ষা অফিসে দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, হয়রানি এবং হুমকির ঘটনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।