কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জামায়াতের অফিস থেকে ৮৪টি তিন ফুটি প্লাস্টিকের পাইপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাদের আটক করেন। তাদের অভিযোগ, জামায়াত এসব পাইপ ও লাঠি শুটা নাশকতার উদ্দেশ্যে জমায়েত করছিল।
পরে বিষয়টি কটিয়াদী থানায় জানানো হলে তদন্ত কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম এসে মালামাল তাদের আয়ত্তে নেয়। তিনি জানান, ম্যাজিস্ট্রেট এসে বিষয়টি সমাধান দেবেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত না হওয়ায় পুলিশ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেনি।
এরপর কিশোরগঞ্জ জেলা শিবিরের সভাপতি হাসান আল মামুনের নেতৃত্বে শিবির ও জামায়াতের একদল নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে এসে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু করে। উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তারা পুলিশের কাছ থেকে আটককৃত মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আরও জানান, জামাত-শিবিরের নেতাকর্মীরা পুলিশের কর্তব্যে বাধা দিয়েছেন এবং যথা সময়ে দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট না থাকার কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তারা দাবি করেছেন, উশৃঙ্খল জামাত নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
উপজেলা জামায়াতের আমিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে।” স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দও জানিয়েছেন, এই পাইপগুলো দলীয় বিভিন্ন প্রোগামের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে স্বেচ্ছাসেবকরা ব্যবহার করেন।

