Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দৌলতপুর
  14. ধর্ম
  15. পিরোজপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জামালপুরে সরকারি কলেজের শিক্ষক ক্লাস নেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে

বাঁধন হোসেন, জামালপুর প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ ৪:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাঁধন হোসেন, জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেসরকারি ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পাঠদানের অভিযোগ উঠেছে। কলেজে ক্লাস বাদ দিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর কারণে বঞ্চিত হচ্ছে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের শিক্ষার্থীরা—এমন অভিযোগ উঠেছে বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে।

বাংলা বিভাগের প্রভাষক থেকে সদ্য সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া ইমরান হোসেন নিজ কলেজের কর্মঘণ্টা উপেক্ষা করে ব্যক্তিগত লাভের জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে লঙ্ঘিত হচ্ছে সরকারি চাকরি বিধিমালা।

জানা গেছে, আশেক মাহমুদ কলেজে কর্মরত ইমরান হোসেন সপ্তাহে তিনদিন—রোববার সকাল ৯টা থেকে ১০টা এবং সোমবার ও বুধবার বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহরের ফৌজদারি মোড়ে অবস্থিত ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে পাঠদান করেন।

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী অন্য কোনো লাভজনক কাজে বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত হতে পারেন না। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, অনেক শিক্ষক কলেজে হাজিরা দিয়ে দ্রুত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নিতে যান। বেসরকারি কলেজগুলো সরকারি শিক্ষকদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ব্যবহার করে শিক্ষার্থী আকর্ষণ করে এবং বিনিময়ে তাদের চুক্তিভিত্তিক সম্মানী প্রদান করে, যা অনেক ক্ষেত্রে তাদের মূল বেতনের চেয়েও বেশি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা বাইরে থেকে ক্লাস নিতে আসেন, তারা অনেক সময় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।”

আশেক মাহমুদ কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমাদের শিক্ষকরা অন্য প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেওয়ায় আমরা নির্ধারিত সময়ে তাদের পাই না। এতে কলেজের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা শিক্ষার্থীরা।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইমরান হোসেন বলেন, “ডাক্তাররা কি তাদের হাসপাতালের রোগী দেখার পর অন্য জায়গায় রোগী দেখেন না? সরকারি কর্মচারী বিধিমালায় শর্ত আছে, তবে কাজের প্রয়োজনেই অনেক সময় বাইরে যেতে হয়।”

ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার জাওয়াদুল হক বলেন, “ইমরান হোসেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন না। তিনি কয়েকটি ক্লাস নেন এবং সে অনুযায়ী সম্মানী পান। যদি তার কলেজে ক্লাস না থাকে, তাহলে এখানে ক্লাস নিতে পারবেন।”

সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শওকত আলম মীর বলেন, “আগের অধ্যক্ষ তাকে অনুমতি দিয়েছেন কি না জানা নেই। নির্বাচন শেষে কলেজ খুললে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।