Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দৌলতপুর
  14. ধর্ম
  15. পিরোজপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোট দিতে ১৫ কিলোমিটার নৌ ও বালুময় পথ পাড়ি দেন গোয়ালন্দের চরবাসী

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পদ্মা-যমুনা নদী বেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পাড়ি দিতে হয় প্রায় ১৫ কিলোমিটার নৌ, সড়ক ও বালুময় পথ। এতে করে প্রতি নির্বাচনে চরম ভোগান্তির শিকার হন তারা।

চরবাসীর দাবি, তাদের এলাকায় অবস্থিত বেতকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হলে এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।

জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেতকা ও রাখালগাছি এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুশাহাটা চরাঞ্চলে অন্তত ৫ হাজার মানুষের বসবাস। চর দুটি রাজবাড়ী-১ সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, দেবগ্রাম ইউনিয়নের বেতকা ও রাখালগাছি চরে মোট ভোটার ২৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪৪ জন ও নারী ১২২ জন। অন্যদিকে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের কুশাহাটা চরে ভোটার সংখ্যা ৮১ জন।

স্থানীয়রা জানান, ভোট দিতে তাদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নদীর এপারে অবস্থিত কেন্দ্রে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ বাড়ার পাশাপাশি ঝুঁকিও থাকে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেতকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র থাকলেও জাতীয় নির্বাচনে সে সুবিধা থাকে না।

বেতকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সদ্য বদলিকৃত শিক্ষক হুমায়ন কবির বলেন, “বেতকা-রাখালগাছির ভোটারদের প্রায় ১৪-১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কাউয়ালজানী চর ৪৯ নম্বর দেবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ভোট দিতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে কষ্ট বেশি—৬-৭ কিলোমিটার হেঁটে তারপর ট্রলারে নদী পার হতে হয়।

কুশাহাটা গ্রামের মুদি দোকানদার আব্দুল হালিম ও শিক্ষক ওয়াজউদ্দিন জানান, বর্ষায় উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে কেন্দ্রে যেতে হয়, আর শুকনো মৌসুমে দীর্ঘ বালুময় পথ হাঁটতে হয়। এতে অনেকেই ভোট দিতে অনাগ্রহী হয়ে পড়েন। তারা জাতীয় নির্বাচনেও চরাঞ্চলে কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান।

দুই ইউনিয়নের কয়েকজন ভোটার আক্ষেপ করে বলেন, “ভোট আসে ভোট যায়, কিন্তু আমাদের দূরত্ব কমে না। সারা বছরই যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। ভোট দিতে গেলেও কষ্ট, না গেলেও কষ্ট।”

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, “বেতকা-রাখালগাছি ও কুশাহাটার ভোটাররা আগের নির্বাচনের মতোই কেন্দ্রে এসে ভোট দেবেন। প্রশাসন আলাদা কোনো পরিবহন সহায়তা দেবে না, তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”

চরবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে তাদের এলাকায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।