শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী
বাগেরহাটের চিতলমারীতে আসন্ন ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে কেনাকাটা। শাড়ি, তৈরি পোশাক ও প্রসাধনী কিনতে বিভিন্ন দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। ঈদকে সামনে রেখে অনেকে প্রয়োজনীয় পোশাক, প্রসাধনীসহ অন্যান্য সামগ্রী কিনতে ছুটছেন মার্কেটে। ফলে স্থানীয় বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই ঈদের কেনাকাটা করতে বাজারে এসেছেন। নিজেদের পছন্দের পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী কিনতে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখছেন ক্রেতারা। পছন্দমতো পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী কিনতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরে দেখছেন তারা।
এ বছর নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে লেহেঙ্গা, টু-পিস ও তানাবানা কাতান শাড়ি। এছাড়া বেনারসি, সিল্ক, জামদানি ও প্রিন্টের শাড়ি বিক্রিতেও বেশ সাড়া পড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
বিশেষ করে এসব কেনাকাটায় নারী ক্রেতারাই বেশি মার্কেটে এসেছেন। পাশাপাশি পাঞ্জাবি ও ছেলেদের পোশাক কিনতে তরুণদেরও ভিড় দেখা গেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
এলাকার দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিতলমারী সদর বাজারে ভালো মানের পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। ফলে প্রতি বছরই ঈদের সময় এলাকা ও বাইরের উপজেলার ক্রেতারা এখানে ভিড় জমান। এবারের ঈদকে সামনে রেখে ভালো বেচাকেনার আশায় তৈরি পোশাক ও শাড়ি বিক্রেতারা বাহারি ডিজাইনের নানা পোশাক বাজারে তুলেছেন।
চিতলমারী সদর বাজারের মেসার্স বৈদ্যনাথ গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী বাদল সাহা জানান, বিগত বছরের চেয়ে এবার ঈদকে ঘিরে বেশ ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ক্রেতারা অনেক উৎসাহ নিয়ে কেনাকাটা করছেন। মেয়েদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে লেহেঙ্গা ও টু-পিস, আর ছেলেদের মধ্যে কাবলি পাঞ্জাবির চাহিদা বেশি।
চিতলমারী বাজারে পোশাক কিনতে আসা লিমা, আক্তার, ফাতেমা ও হাসান শেখ জানান, ঈদের কেনাকাটা করতে মার্কেটে এসেছেন। যেহেতু ঈদের আর বেশি দিন বাকি নেই, তাই আগে থেকেই ভিড় এড়াতে কেনাকাটা সেরে ফেলছেন।
স্থানীয় শাড়ি ব্যবসায়ী ভাই ভাই বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী লিটন মোল্লা জানান, শাড়ির মধ্যে ইন্ডিয়ান তানাবানা কাতান শাড়ির চাহিদা বেশি। পাশাপাশি জামদানি, বেনারসি ও প্রিন্টের শাড়িও প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।
প্রসাধনী বিক্রেতা সোহেল শেখ জানান, এ বছর পণ্যসামগ্রীর বিক্রি অনেক ভালো হচ্ছে। বাজারে ক্রেতাদেরও বেশ ভিড় রয়েছে।

