Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৫ মার্চ ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চিতলমারীতে দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখী চাষে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা

শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী
মার্চ ১৫, ২০২৬ ৫:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী

মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ। দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখী ফুল নজর কাড়ছে সকলের। এসব ফুলের ওপর মৌমাছি আর পাখিদের মেলা বসেছে। বিকেল নামলেই এলাকার কিশোর-কিশোরীসহ অন্যরা ফুলের মাঠে ছবি তুলতে ছুটে আসছে। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ফসলের মাঠের জমিতে এখন শোভা পাচ্ছে সূর্যমুখী।

কৃষিপ্রধান এ এলাকায় ধান, গম ও নানা প্রকার সবজি চাষের পাশাপাশি সূর্যমুখী চাষের মাধ্যমে বিশুদ্ধ তেল উৎপাদনে ভূমিকা রাখছেন চাষিরা। এছাড়া সূর্যমুখী তেলের ব্যাপক চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় চাষিরা এর মাধ্যমে লাভবান হচ্ছেন। ফলে এটি চাষের প্রতি চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে। উপজেলার বলেশ্বর নদীর চর ও আশপাশের এলাকায় বাড়ছে এ ফুলের চাষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার শিবপুর ও চরবানিয়ারী ইউনিয়নের বলেশ্বর নদীর চরের জমিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ফসলি জমি ও চিংড়ি ঘেরের পাড়ে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখী ফুল নজর কাড়ছে সকলের। উচ্চফলনশীল জাতের এ ফুল আকারে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি এর বীজ থেকে আশানুরূপ তেল পাওয়া যায় বলে চাষিদের অভিমত। এছাড়া এসব ফুলে এখন মৌমাছিদের ব্যাপক আনাগোনা থাকায় এখান থেকে মধু আহরণ করাও সম্ভব বলে জানান অনেকে। পাশাপাশি সূর্যমুখীর বীজ থেকে তেল তৈরির পাশাপাশি এর গাছ থেকে জ্বালানি কাঠেরও যোগান পাওয়া যায়। এসব সুবিধার কারণে চাষিরা এটি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

উপজেলার শিবপুর গ্রামের সূর্যমুখী চাষি জালাল শেখ জানান, তিনি ৮ কাঠা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছেন। এছাড়া তার প্রতিবেশী আরিফ শেখ ৫ কাঠা, আছাদ শেখ ৮ কাঠা এবং বাইজিদ সরদার ১০ কাঠাসহ ওই এলাকার অনেক চাষি এটি চাষ করেছেন। ধান, গম ও সবজি চাষের তুলনায় সূর্যমুখী চাষ করা অনেকটা সহজ। কারণ এতে তেমন সেচের প্রয়োজন হয় না। সার ও কীটনাশক ব্যবহারেরও খুব বেশি প্রয়োজন পড়ে না। বিগত কয়েক বছর ধরে তারা ফসলি জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করে আসছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর ভালো ফলন পাবেন বলে আশাবাদী চাষিরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিফাত আল মারুফ জানান, এ বছর ৩৭ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। এটি চাষের জন্য কৃষি অফিস থেকে সার, বীজসহ নানা ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। চাষিরা যাতে এ ফসল চাষে বেশি আগ্রহী হন সেজন্য পরামর্শ ও সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সূর্যমুখী একটি লাভজনক ফসল। এর তেল প্রতি লিটার কম করে হলেও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয় এবং গুণগত মানের দিক থেকে এ তেল স্বাস্থ্যসম্মত।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।