Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৯ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মসজিদের নামে বাগেরহাটে তিন ভুয়া প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
এপ্রিল ৯, ২০২৬ ৬:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট জেলা পরিষদে মসজিদের উন্নয়নের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে তিনটি ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। কাগজে-কলমে প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে সংশ্লিষ্ট মসজিদের অস্তিত্ব না থাকায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ গাজীরঘাট মাতুব্বরবাড়ি জামে মসজিদ (স্থানীয়ভাবে মাদারবুনিয়া জামে মসজিদ নামে পরিচিত) এলাকাবাসীর উদ্যোগে নির্মাণাধীন রয়েছে। অর্থসংকটে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় মুসল্লিরা অস্থায়ী ছাপড়ায় নামাজ আদায় করছেন। স্থানীয় মুসল্লি মাহবুব মাতব্বর, আব্দুর রহমান লিটন ও মাসুদ মাতব্বর জানান, নিজেদের অর্থায়নে কাজ চালালেও কোনো সরকারি অনুদান তারা পাননি।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি এমডি আরিফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান ফকির বলেন, মসজিদের নামে কোনো বরাদ্দের তথ্য তাদের জানা নেই। বরাদ্দ হয়ে থাকলে তা কোথায় গেল, সেটি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

তবে জেলা পরিষদের নথিতে দেখা গেছে, ওই মসজিদের উন্নয়নের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ২০ জুলাই পরিদর্শনের উল্লেখসহ ১ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং কাজ সম্পন্নের ভাউচার ও ছবি জমা দেওয়ার তথ্যও রয়েছে।

এছাড়া একই ইউনিয়নের দক্ষিণ মাঝিরঘাট মুন্সিবাড়ি জামে মসজিদ ও মাধববুনিয়া জামে মসজিদের নামেও পৃথক দুটি প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে ওই নামে কোনো মসজিদের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য রুহুল আমিন মাতব্বর বলেন, “এই দুই নামে এলাকায় কোনো মসজিদ নেই। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে মনে হচ্ছে। সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় মোরেলগঞ্জ উপজেলার গাজিরঘাট গ্রামের মো. মাকসুদুর রহমান ওরফে মামুনসহ একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে। অভিযুক্ত মামুন নিজেকে ৭১ মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রাম পরিষদ বাগেরহাট জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন।

অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি তা অস্বীকার করে বলেন, সাবেক এক সচিবের মাধ্যমে তিনি বরাদ্দ নিয়েছিলেন এবং স্থানীয়দের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। তিনি প্রয়োজন হলে ওই অর্থ ফেরত দেওয়ার কথাও জানান।

এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, “মসজিদের নামে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।