Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ১১ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাচ্চা কাঁদছে, রক্তও পড়ছে, হাতিয়ায় টিকাদান নিয়ে মায়েদের অভিযোগ

ছায়েদ আহামেদ,হাতিয়া(নোয়াখালী) প্রতিনিধি
এপ্রিল ১১, ২০২৬ ১১:৫১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ছায়েদ আহামেদ,হাতিয়া(নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের টিকাদান (ইপিআই) কার্যক্রমে চরম হিংস্রতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। টিকা প্রয়োগের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের রূঢ় আচরণ ও অসতর্কতার কারণে শিশুদের শারীরিক ক্ষতি এবং অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের টিকাদান কক্ষের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মায়েদের শিশুদের দ্রুততার সঙ্গে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এ সময় টিকাদানকারী নার্স লিজা আক্তার (এসএসএন)-কে শিশুদের মা’দের রূঢ় ও অমার্জিত আচরণ করতে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো ও অসাবধানতাপূর্ণভাবে টিকা প্রয়োগের দৃশ্যও লক্ষ্য করা গেছে।

ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ওই নার্স সাংবাদিকের ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। পরে সহকর্মীরা পরিস্থিতি শান্ত করেন। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হেড ক্লার্ক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “টিকা দেওয়ার সময় সামান্য রক্তপাত বা ছোটখাটো সমস্যা হতে পারে। নার্সদের এতো সমালোচনা করলে তারা এখান থেকে বদলি হয়ে চলে যাবেন। ”

প্রত্যক্ষদর্শী অভিভাবকদের অভিযোগ, টিকা প্রয়োগের সময় সতর্কতা অনুসরণ করা হচ্ছে না। ফলে শিশুদের অতিরিক্ত কান্না, ব্যথা ও অনেক ক্ষেত্রে রক্তপাতের ঘটনা ঘটছে। এতে করে অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পৌর এলাকার মর্জিনা নামের এক নারী বলেন, “আমার বাচ্চাকে খুব দ্রুত ও জোরে টিকা দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই সে চিৎকার করছে এবং রক্তও বের হয়েছে।” একই ধরনের অভিযোগ করেছেন শুন্যেরচর গ্রামের আরজিনা ও লক্ষ্মীদিয়া গ্রামের শাহনাজ।

সংবাদকর্মী হানিফ সাকিব ও রাসেল মাহমুদ জানান, গত মঙ্গলবারও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তারা অভিযোগ করেন, “স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে অনেকেই রোগীদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন, যা খুবই দুঃখজনক।”

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টিকা দেওয়ার পর শিশুদের পর্যবেক্ষণে রাখার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ফলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

এছাড়া দৈনিক টিকা রিপোর্ট (শিশু) হাজিরা খাতা যাচাই করে দেখা যায়, অভিযুক্ত টিকাদানকারী লিজা আক্তার ও তার সহকর্মীরা দায় এড়াতে হাজিরা খাতায়ও স্বাক্ষর করেননি।

অন্যদিকে, এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বহির্বিভাগে (আউটডোর) চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি হাসপাতালের অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে দুর্গন্ধে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মানসী রানী সরকার বলেন, “অভিযুক্তদের আগেও সতর্ক করা হয়েছে। এবারও তাদের ডেকে প্রয়োজনীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।