1. nabadhara@gmail.com : Nabadhara : Nabadhara ADMIN
  2. bayzidnews@gmail.com : Bayzid Saad : Bayzid Saad
  3. bayzid.bd255@gmail.com : Bayzid Saad : Bayzid Saad
  4. : deleted-B6iY9nGV :
  5. mehadi.news@gmail.com : MEHADI HASAN : MEHADI HASAN
  6. jmitsolution24@gmail.com : support :
  7. mejbasupto@gmail.com : Mejba Rahman : Mejba Rahman
  8. : wp_update-1720111722 :
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন

মোল্লাহাটে ঘর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে ১৫ হেক্টর জমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত, দুশ্চিন্তায় কৃষক

Reporter Name
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩২৮ জন নিউজটি পড়েছেন।

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’র প্রভাবে বাগেরহাটের মোল্লাহাটে গত চারদিনের টানা বৃষ্টিতে বোরো মৌসুমে বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে উপজেলার ১৫ হেক্টর জমির বোরো বীজতলা পানিতে তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানা যায়, চলতি বছর বোরো মৌসুমে ২৫৯ হেক্টর জমিতে কৃষকেরা বীজতলা পাতিয়ে ছিল। কিন্তু ঘর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে ১৫ হেক্টর জমির বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শীতকালীন সবজি ২৫ হেক্টর, খেসারী ২০ হেক্টর, সরিষা ১৫ হেক্টর, মসুর ৫ হেক্টর, মরিচ ৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছে উপজেলার কৃষকেরা। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের বেদবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আরোজ মোল্লা জানান, চলতি বোরো মৌসুমি ৩০ প্যাকেট ধানবীজ পাতিয়েছি। কিন্তু ঘর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা ৪ দিনের বৃষ্টিতে আমার সব বীজতলা পানিতে তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি প্রতি বছর ১২ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করে থাকি। এখন যদি বীজতলা/পাতো যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এবছর আমার আর ধান চাষ করা হবেনা।

একই এলাকার কুলিয়া গ্রামের কৃষক কামাল শেখ জানান, আমি এবছর ১০ বিঘা জমি চাষের জন্য ২৮ প্যাকেট ধানবীজ পাতিয়েছি। কেবল মাত্র এক সপ্তাহ বয়স হয়েছে পাতোর। ঘর্ণিঝড়ের কারণে টানা বৃষ্টিতে সব বীজতলা এখন পানির তলে। এমত অবস্থায় নতুন করে যে আবার বীজতলা পাতাবো তারও সময় নেই। এখন আমি খুব দুশ্চিন্তায় পড়েছি কিভাবে জমি চাষ করবো।

উপজেলার দারিয়ালা গ্রামের কৃষক শাহাজান মোল্লা জানান, এবছর বোরো মৌসুমে ১৫ প্যাকেট ধানবীজ ও খেসারী বপন করেছিলাম কিন্তু বৃষ্টির কারণে সব এখন পানির নিচে।  বীজতলা যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এবছর আর ধান লাগানো হবেনা। আবার বেশীর ভাগ জমি ইজারা নিয়ে চাষাবাদ করি। প্রতিবছর ধান বিক্রি করে ইজারার টাকা পরিশোধ করি সেটাকাও পরিশোধ করতে পারবোনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অনিমেষ বালা নবধারা কে বলেন, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা ৪ দিনের বৃষ্টির  পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে এখন আবহাওয়া ভালো হলে খেত থেকে দ্রুত পানি সরে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কমবে। এরপর ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে। কৃষকদের দ্রুত ক্ষেত থেকে পানি সরানো এবং এই মুহুর্তে নতুন করে বীজ না পাতানোর জন্য পরামর্শদেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved সর্বস্বত্বঃ দেশ হাসান
Design & Developed By : JM IT SOLUTION