মোরেলগঞ্জের ১৬নঃ খাউলিয়া ইউনিয়নের সন্ন্যাসী লঞ্চঘাটের ওপারে কলারন খেয়াঘাট। এই সন্ন্যাসী কলারন খেয়াঘাট পার হয়ে পিরোজপুর ও মোরেলগঞ্জের সন্ন্যাসী, পল্লীমঙ্গল,ছোটপরি, বড়পরি,চেয়ারম্যানবাজার,খেজুরবাড়িয়া,বানিয়াখালি আমতলি সহ অসংখ্য জায়গার মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে প্রতিদিন যাতায়াত করে। অভিযোগ উঠেছে প্রায় সময়ই খেয়াঘাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজন খেয়ার বেশী ভাড়া আদায় সহ যাত্রীদের সাথে দুর্ব্যবহার করে।
জনৈক নিয়মিত যাত্রী বিকাশ বলেন -আমরা প্রতিনিয়ত এই ঘাট থেকে চলাচল করি। বর্তমান ইজারাদারের দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকদের দুর্ব্যবহার আর অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে আমাদের ভোগান্তির সীমা নেই। এ গুলো দেখার জন্য কোন কর্তৃপক্ষ আছে বলে মনে হয়না আমার।
এবিয়য়ে খেয়া চালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের ইজারাদার ১১ লক্ষ টাকা দিয়ে ডাক রাখতে হয়েছে। এজন্য অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে হয়। ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার সাইদুর রহমান এর কাছে এ বিষয়ে নবধারা জানতে চাইলে তিনি জানান, মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আমাকে খেয়াটি দেখভাল করার দায়িত্ব দিয়েছেন মাত্র। বর্তমানে কাদা পানির জন্য খেয়া ঘাটের একটু ভিতরে নিয়ে যাত্রি নামাতে হয়, সে কারণে নির্দিষ্ট ভাড়ার চেয়ে একটু বেশি ভাড়া নিতে হয় বলে তারা আমাকে জানিয়েছে। তবে যাত্রীদের সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করে কিনা তা আমার জানা নেই,আমি জেনে তেমন হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো। এই ঘাটটি ইন্দুরকানী উপজেলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার তত্বাধানে চলছে। আমি শুধু দেখভালের দায়িত্বে রয়েছি। কেউ যদি পারাপারে সময় যাত্রীদের সাথে দুর্ব্যবহার করে তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুন্নেসা খানম বলেন কলারন সন্যাসী খেয়াঘাটের অনিয়মের বিষয়ে আমার কাছে আরো অভিযোগ এসেছে। আমি এই বিষয়টি দ্রুত দেখবো বলে কথা দিচ্ছি। বর্তমানে এই সন্ন্যাসী কলারনের খেয়াঘাটের অনিয়ম বিষয়ে বেশ ক্ষোভ জমেছে উভয় পারের নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে। তারা দ্রুত এর অবসান চান।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.