আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জের শহীদ জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় এখন মাদকাসক্তদের অভয়ারণ্য। সন্ধা হলেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বসে মাদক সেবীদের আড্ডা।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার শহীদ জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর না থাকার কারণে সূর্য ডোবার সাথেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বসে মাদক সেবীদের নিরাপদ আড্ডা।
রাত যত বাড়তে থাকে, মাদক সেবীদের আড্ডাও বাড়তে থাকে। রাত বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন এলাকা থেকে যুবকেরা হোন্ডা নিয়ে এসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে মাদকের আড্ডা বসায়।
স্থানীয় ও বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, শহীদ জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপিত ১৯৯৪ সালে। বিদ্যালয়ের সম্পত্তির পরিমাণ ১৫০ শতাংশ। কিন্তু বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রভাবশালী মহল প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে।
তাছাড়া আওয়ামীলীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে কোন রকম উন্নয়ন হয়নি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ হওয়ায় বিদ্যালয়টি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে বলে মনে করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। দীর্ঘ সময় উন্নয়ন ও বরাদ্ধ বঞ্চিত বিদ্যালয়টি।
বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আয়েশ আক্তা বলেন,আমাদের বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর না থাকায় বখাটেরা নানাভাবে আমাদের ডিষ্টাব করে করে। এছাড়াও সকালে বিদ্যালয়ে আসলে নানা রকম জিনিসপত্র পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নবম শ্রেণির একজন অভিভাবক জানান, আমাদের স্কুলের পড়াশোনার মান খুবই ভাল। সীমানা প্রাচীরের কারণে অনেক অভিভাবকই নিরাপত্তা হীনতায় এখানে ছেলে- মেয়ে ভর্তি করতে চায় না। বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের ও বিদ্যালয়ের নিরপওায় সীমানা প্রাচীর জরুরি।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মিরকাদিম পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দীন আহমেদ জানান, আমরা অনেকবার মাদকের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করেছি। আইনশৃংখলা বাহিনী ও ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে সীমানা প্রাচীর থাকলে নিরাপত্তার পাশাপাশি বিদ্যালয়টি পরিপূর্ণতা পেত।
শহীদ জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচী,র গেইট না থাকায় বিদ্যালয় ঘেঁষে খালি জায়গায় মাদকাসক্তদের আড্ডা বসে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় সীমানা প্রাচীর খুবই জরুরী দরকার।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুদুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো ট্রলারেন্স। যেখানেই মাদক সেবন বা বিক্রির সন্ধান পাই সাথে আমাদের টিম হাজির মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। সঠিক তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে এবং সেখানে সীমানা প্রাচীরের ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.