টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে সাহিদা বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মহিবুল্লা (২২) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি)রাত ৮ টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। নিহত সাহিদা বেগম ওই গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলাম ওস্তার স্ত্রী।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামের সাহিদা বেগমের সঙ্গে একই বংশের কাদের ওস্তা ও তার পাঁচ ছেলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে কাদের ওস্তা, তার ছেলে আব্দুল আলী, রাজু, ইয়াসিন, মানিক ও মিজান দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাহিদা বেগমের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারীরা সাহিদা বেগমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার ছেলে টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহিবুল্লাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাহিদা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মহিবুল্লা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

