Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঢাকা বিভাগ
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দৌলতপুর
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টাকা না পেয়ে নানিকে হত্যা: ৮ ঘণ্টার মধ্যে নাতি গ্রেপ্তার, পুলিশের তৎপরতায় প্রশংসা

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে টাকা চেয়ে না পেয়ে নানিকে হত্যার ঘটনায় মাত্র আট ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত নাতিকে গ্রেপ্তার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। দ্রুত সময়ে আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় পুলিশের তৎপরতা ও দক্ষতা ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

নিহত নারী বেদেনা কোচ (৬৫) উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং পরেশ চন্দ্র কোচের স্ত্রী। হত্যাকাণ্ডটি মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতের নাতি নয়ন কোচ (১৮) মঙ্গলবার বিকেলে নানির কাছে পাঁচ হাজার টাকা ধার চেয়েছিলেন। টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে নয়ন কোচ রাতেই হত্যার পরিকল্পনা করেন।

রাত ৯টার দিকে নিহতের স্বামী পরেশ চন্দ্র কোচ কালিদাস বাজারে গেলে নয়ন কোচ নানির বাড়িতে অবস্থান নেন। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তিনি নানির ওপর আক্রমণ চালান, যাৎক্ষণিকভাবে নিহত হন। ব্যবহৃত অস্ত্র বিছানার ওপর রেখে নয়ন কোচ পালিয়ে যান।

পরেশ চন্দ্র কোচ রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়িতে ফিরে স্ত্রীর নিথর দেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন। রাত ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সঙ্গে সঙ্গে অভিযান শুরু করে।

আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা কৌশল ব্যবহার করে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে সখীপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে অভিযুক্ত নয়ন কোচকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার জেলখানা মোড় এলাকায় কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন এবং স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামল কোচের ছেলে।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ হোসেন চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন কোচ হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় বুধবার সকাল ১১টার দিকে নিহতের স্বামী পরেশ চন্দ্র কোচ একমাত্র আসামি হিসেবে নয়ন কোচকে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, “লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা দায়েরের আগেই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে, যা পুলিশের পেশাদারিত্বের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এত দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সখীপুর থানা পুলিশের সুনাম নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।