নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগে ব্যাপক দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ভাতা বণ্টন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে।
মঙ্গবার নোয়াখালী শহরের নোয়াখালী প্রেস ক্লাব-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের শিক্ষক নেতারা এসব অভিযোগ তুলে ধরে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেন। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাদা দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৩৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে, যার মধ্যে ৩১ জনই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-পন্থি হিসেবে পরিচিত। একজন বিএনপিপন্থি এবং তিনজন নারী শিক্ষকের মধ্যে একজন জামায়াতপন্থি শিক্ষকের স্ত্রী বলে উল্লেখ করা হয়।
শ্বেতপত্রে আরও বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত ২১ জন কর্মকর্তার মধ্যে ১৯ জনই জামায়াতপন্থি এবং তাদের মধ্যে সাতজন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংগঠনের পদধারী ছিলেন। এছাড়া ৬৯ জন কর্মচারীর মধ্যে ৫৫ জনই জামায়াতের নেতাকর্মী বলে অভিযোগ করা হয়।
ভর্তি পরীক্ষার সম্মানী বণ্টন নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ ২৬ হাজার টাকা থাকলেও উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ দুই লক্ষ টাকার বেশি সম্মানী পেয়েছেন।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মুহাম্মদ ইসমাইল তার বিরুদ্ধে আনা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার বাদ সম্মেলনে সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক ড. জাহাঙ্গীর সরকার, ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ, ড. আবিদুর রহমান ও জামাল উদ্দিনসহ অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

