জয়পুরহাট প্রতিনিধি
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে হলুদের বাম্পার ফলন হয়েছে। কম খরচ ও বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হলুদ চাষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উচ্চফলনশীল মরিচবাটি, বোল্ডার ও গাঙ্গনি জাতের হলুদের ব্যাপক চাষাবাদ দেখা গেছে।
কৃষি সূত্রে জানা যায়, পাবনা, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল, রাজশাহী, নওগাঁ, রাজবাড়ী, ময়মনসিংহ ও নীলফামারীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হলুদের চাষ হলেও বর্তমানে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা এলাকায় এর চাষ দ্রুত বাড়ছে।
বাগজানা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের চাষি সুভাষ চন্দ্র মহন্ত জানান, তিনি এ বছর ১০ কাঠা জমিতে মরিচবাটি জাতের হলুদ চাষ করে প্রায় ৫০ মণ উৎপাদন করেছেন। প্রতিমণ ১৩০০ টাকা দরে পাঁচবিবি বাজারে বিক্রি করে ভালো লাভ পেয়েছেন। তিনি বলেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় হলুদ চাষে খরচ কম, রোগবালাই কম এবং রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কম ব্যবহার করতে হয়।
স্থানীয় পাইকার শহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের কাছ থেকে হলুদ কিনে দেশের বিভিন্ন আড়তে সরবরাহ করা হয়। দিন দিন এ ফসলের চাষ বাড়ছে এবং বাজারে চাহিদাও ভালো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জসিম উদ্দিন জানান, এ বছর উপজেলায় ১০৫ হেক্টর জমিতে হলুদের চাষ হয়েছে। হলুদের জমিতে সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন ফসল চাষ করা যায়। হলুদে প্রচুর ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ক্যারোটিন রয়েছে। এতে থাকা কারকিউমিন উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক বলেও জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.