রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপালে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মডেল কেয়ারটেকার আল মামুনের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকালে অভিযুক্ত আল মামুন ঘুষের টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন এবং সেই অঙ্গীকার একটি লিখিত মুসলেকার মাধ্যমে দিয়েছেন।
জানা গেছে, আল মামুন মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ এবং অন্যান্য অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। ভুক্তভোগীরা ২০১৯ সাল থেকে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়ে আসছিলেন। ইতিমধ্যেই একাধিকবার তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। তবে পূর্বে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকর হয়নি, যার ফলে তিনি বারবার পার পেয়ে যাচ্ছিলেন।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, আল মামুন তাদের ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে এবং তার অপকর্ম আড়াল করার জন্য মানববন্ধনও করিয়েছেন।
তদন্তকালে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় রামপাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন। ভুক্তভোগী হাওয়া সুলতানা, জিয়াউর রহমান ও আবুল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক জানান, মডেল কেয়ারটেকার তাদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন এবং তৎকালীন রাজনৈতিক প্রভাবের ছত্রছায়ায় অনিয়ম চালু রেখেছেন।
তদন্তের সময় আল মামুন তার ঘুষ গ্রহণ ও অন্যান্য অনিয়ম স্বীকার করে মানবিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি হাওয়া সুলতানাকে ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন এবং তা লিখিত মুসলেকার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।
রামপাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, তদন্তে যা প্রমাণিত হয়েছে, তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

