জুলফিকার বাবলু,মাদারগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ফিলিং স্টেশন গুলোতে গত কয়েক দিন ধরে কোন প্রকার তেল পাওয়া যাচ্ছে না।শনিবার স্হানীয় ফিলিং স্টেশন গুলোতে ঘুরে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশন কতৃপক্ষ তেল নাই সাইনবোর্ড সাটিয়ে রেখেছে।আর এদিকে মোটরসাইকেলসহ তেল চালিত যানগুলো তেল না পেয়ে মালিক ও চালকগণ হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে।
জানাযায়, মধ্য প্রাচ্য চলমান যুদ্ধে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াসহ সংকট দেখা দিতে পারে এমন আশংকায় স্হানীয় মোটরসাইকেল চালক,মাহিন্দ্র, ট্রাক্টর ও ট্রাক চালক ও মালিকরা নিজেদের ব্যবহারের জন্য মজুদ করে তারা নিজেদের কাজে ব্যবহার করছেন।
এব্যাপারে তুহিন মৌসুমি ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার মোঃ আঃআলীম জানান, গত ৪ মার্চ থেকে তাদের ফিলিং স্টেশনে কোন প্রকার তেল নাই।তবে তিনি আরও বলেন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এর ডিপোর মালিক মোঃ ফুল মিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন,ডিপোতে আপাতত কোন প্রকার তেল নাই। তবে ২/১ দিনের মধ্যে তেল পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাদের ফিলিং স্টেশন কোন প্রকার তেল নাই।
মেসার্স লাবনী ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার বলেন, পুলিশ উপস্থিত থেকে তাদের মজুত তেল বিক্রি শেষ করা হয়েছে। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খুচরা বিক্রেতারা পেট্রোল বিক্রি করছে উচ্চ মূল্যে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান,তার কাছে এক ড্রাম ছিল,প্রতিলিটার ১৬০-১৭০ টাকায় বিক্রি করছেন।তারকাছে আপাতত কোন তেল নাই।এইরকম অপর এক খুচরা ব্যবসায়ীর দোকানে দেখা যায় মোটরসাইকেল এর লম্বা লাইন।
সেইখানেও উচ্চ মূল্যে তেল বিক্রির অভিযোগ পায়া যায়। এদিকে শ্যালোচালিত সেচ পাম্প গুলো কিভাবে চালাবে এই নিয়ে কৃষকরা হতাশায় ভোগছেন। এ ব্যাপারে কৃষক কালু মিয়া বলেন, তার মজুদ কোন ডিজেল নাই।পাম্পে তেল ক্রয়করতে গিয়ে ফিরে এসেছেন।
মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন,জ্বালানি তেল এর মূল্য বাড়বে এমন গুজব ছড়িয়ে একশ্রেণীর ব্যবসায়ীরা আতংক ছড়িয়ে তেলের সংকট তৈরি করেছেন।অনেকেই নিজেদের ব্যবহারের জন্য সুযোগ বুঝে চাহিদার চাইতে বেশি মাত্রায় মজুত করে রেখেছেন, যাতে এই সিজনে আর তেল ক্রয়করতে না হয়।তবে তিনি আরোও বলেন,হতাশার কিছু নাই,দ্রুতই এই সংকট কেটে যাবে।

