Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ১১ মার্চ ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝিনাইদহ
  13. ঢাকা বিভাগ
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দিনাজপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকা-নড়াইল-খুলনা ও ঢাকা-নড়াইল-বেনাপোল, এক ট্রেনই ভরসা

স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল
মার্চ ১১, ২০২৬ ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল

একটি ট্রেন দিয়েই চলছে ঢাকা-নড়াইল-খুলনা ও ঢাকা-নড়াইল-বেনাপোল রেলপথের যাত্রীসেবা। একই ট্রেন ভিন্ন রুটে ভিন্ন নামে চলায় দিনে শুধু নির্দিষ্ট সময়েই যাত্রা করা যায়। ফলে যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা ও গন্তব্যে পৌঁছাতে বিলম্বিত হচ্ছে। এ কারণে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে,পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মতো রেলপথের সঙ্গে যুক্ত হয় নড়াইল জেলা। ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা-নড়াইল-খুলনা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। বর্তমানে একটি মাত্র ট্রেন ‘রূপসী বাংলা’ ও ‘জাহানারাবাদ’এই দুটি নামে চলাচল করছে।

‘রূপসী বাংলা’ ট্রেনটি সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে নড়াইল স্টেশন হয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। নড়াইল থেকে প্রায় আড়াই ঘণ্টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানো যায়। তবে দিনে বা রাতে অন্য কোনো সময়ে রাজধানীতে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ফলে ট্রেন চালু হলেও এর পূর্ণ সুফল এখনো মিলছে না নড়াইল বাসীর।

রেলযাত্রী রেজাউল করিম বলেন,‘নড়াইল থেকে স্বল্প সময়ে ঢাকায় যাতায়াতের আরামদায়ক মাধ্যম হলো রেলপথ। কিন্তু সকাল ও বিকেল ছাড়া অন্য সময়ে ট্রেনে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই দ্রুত ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো দাবি জানাই।’

স্থানীয় যাত্রী আঃ আল-মারজান বলেন,‘কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে যোগাযোগের সুবিধা হয়েছে ঠিকই,তবে মাত্র একটি ট্রেন চলাচল করায় আমরা পুরো সুবিধা পাচ্ছি না। নতুন সরকার এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।’

আমেনা বেগম নামে আরেক যাত্রী বলেন,‘রেল চালু হওয়ায় অনেক সুবিধা হয়েছে। সকালে নড়াইল থেকে ঢাকায় গিয়ে অফিস করতে পারছি, আবার রাতে বাড়ি ফিরতে পারছি। তবে ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে যাতায়াত আরও সহজ হবে।

নড়াইল রেলস্টেশনের মাস্টার উজ্জ্বল বিশ্বাস জানান,২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ট্রেন চালু হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে। ভবিষ্যতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বুধবার (১১মার্চ) সকালে নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম বলেন, ঢাকা-নড়াইল-খুলনা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

নড়াইল-২আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন,‘নড়াইলবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে রেল সড়ক চালু হয়। তবে চাহিদা অনুযায়ী রেলসেবা পাওয়া যাচ্ছে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রেনের সংখ্যা যেন বাড়ানো যায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

উল্লেখ্য,পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়। প্রথম ধাপে ঢাকার কমলাপুর থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭২ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণ করা হয়।

২০২৪ সালে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়। পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে রেললাইন নির্মাণসহ পুরো প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার অর্থায়ন করেছে ১৮ হাজার ২১০ কোটি টাকা এবং বাকি ২১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা দিয়েছে চীন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।