মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, খালিয়াজুড়ি (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার ৫৬ জন শিক্ষক ৪ মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পাইনি। জানযায় খালিয়াজুড়িতে ২০০৬ ইং সন থেকে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কার্যক্রম চালু রহিয়াছে।
বর্তমান খালিয়াজুড়িতে ৩৩ কোরআন শিক্ষা কেন্দ্র, ২২ টি প্রাক প্রাথমিক কেন্দ্র ও ১ টি বয়স্কদের জন্য শিক্ষা কেন্দ্রসহ মোট ৫৬ টি কেন্দ্রে সঠিকভাবে চালু রহিয়াছে এবং ৫৬ জন শিক্ষক কর্মরত আছে।
খালিয়াজুড়ি মডেল কেয়ারটেকার মাওঃ মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, বিগত নভেম্বর /২৫ থেকে ফেব্রুয়ারী /২৬ সহ চার মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস সহ = ৩০০০০/- হাজার টাকা একজন শিক্ষক বেতন / ভাতা পাওয়ার জন্য আমরা বিধি মোতাবেক যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট সমস্ত কাগজ পত্র ১২ ই মার্চ তারিখে জমা দিয়েছে। তারপরও শিক্ষকগণ ঈদের বেতন বোনাস পাইনি বলে আমরা দুঃখিত।
ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের শিক্ষক মোঃ তাজুল ইসলাম, মোঃ আব্দুস সোবহান ও মোঃ রাসেল মিয়া বলেন ১৫ ই মার্চ রোজ সোমবার বিকেলে আামাদের ৪ মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস সহ মোট = ৩০০০০/- হাজার টাকার মেসেজ পেয়েছি, কিন্তু সময় না থাকার কারণে আমারা আমাদের বেতন বোনাস উঠাতে পারি নাই। তাই আমাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের আনন্দ পুরাপুরি উপভোগ সম্ভব হবে না।বিধায় আমরা কিছুটা কষ্টে আছি।
খালিয়াজুড়ি উপজেলা সুপার ভাইজার মোঃ রেজুয়ানুল বলেন নেত্রকোনা রুপালী ব্যাংক থেকে ১৫ ই মার্চ বিকেলে টাকা পাঠানো হয়েছে, কিন্তু সময় না থাকার কারণে শিক্ষকগণ ঈদের টাকা উঠাতে পারে নাই ব’লে আমরা দুঃখিত।
খালিয়াজুড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির হোসেন শামীম বলেন এ বিষয় নিয়ে আমি ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কর্মকর্তাগনের সাথে কথা বলিব। ঈদের বেতন বোনাস না পাওয়া খুবই দুঃখের বিষয়।
নেত্রকোনা ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উপপরিচালক শাহ আলম বলেন আমরা ১৫ ই মার্চ নেত্রকোনা রুপালী ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন বোনাসের টাকা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সময় না থাকার কারণে শিক্ষকগণ ঈদের বেতন বোনাস পাইনি বলে আমরা দুঃখিত। ভবিষ্যতে আরো আগে টাকা পাঠানোর জন্য আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করিব।
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, ঈদের বেতন বোনাস না পাওয়া খুবই কষ্টের বিষয়। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

