দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী সোহার্দ পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যাত্রীরা নিখোঁজ ও ডুবে মারা যায়। এরমধ্যে কুষ্টিয়ার জুগিয়া এলাকার মর্জিনা খাতুন হাসি। তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মর্মান্তিক ঘটনায় শোকে বিহ্বল এলাকাবাসী। এসময় কান্নাজড়িত কন্ঠে স্বজনদের বিলাপ করতে দেখা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পদ্মায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত কুষ্টিয়া পৌর এলাকার বারখাদা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা মর্জিনা খাতুনের জানাযা শেষে জুগিয়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। সেখানে নিহতের স্বামী আবু বক্কর ও ভাই, স্বজন ও প্রতিবেশীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা জানাজায় অংশ নেন।
ঢাকায় বসবাসরত চিকিৎসক মেয়ের বাসায় যাওয়ার জন্য রাজবাড়ীর পাংশা থেকে সোহার্দ পরিবহনের বাসে উঠেন স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের বিলিং সুপার ভাইজার মর্জিনা খাতুন। এর ঘন্টা খানেক পরেই মুত্যুর খবর পান পরিবারের লোকজন। বাস দুর্ঘটনাকে দায়িত্বে অবহেলা ও অব্যবস্থাপনা হিসেবে দেখছেন স্বজন ও এলাকার মানুষ। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিচার চান।
এদিকে জেলার খোকসায় নিহত আরো তিনজনের লাশ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আয়েশা সিদ্দিকা, রাজীব বিশ্বাস, তিন বছরের শিশু ইস্রাফীলের মরদেহ রয়েছে।
এদিকে মর্জিনা খাতুন হাসি যাঁকে হাসি আপা নামে চিনতেন পুরো এলাকার মানুষ। হাসিখুশি মানুষটি সবার সাথে মিশতেন, খোঁজ খবর রাখতেন। সেই মানুষটির চির বিদায়ে এলাকায় শোকের ছায়া। স্বজনদের মধ্যে কান্নার রোল। হাসিকে হারিয়ে কান্না করছে পুরো এলাকার মানুষ।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.