Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুর্গাপুরে আলু চাষে ক্ষতির শঙ্কা, তবু আলুর মাঠে কৃষক

আমিনুল ইসলাম দুর্গাপুর (রাজশাহী)প্রতিনিধি
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৩:৫২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমিনুল ইসলাম দুর্গাপুর (রাজশাহী)প্রতিনিধি

রাজশাহী : গত মৌসুমে আলুতে উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছিলেন কৃষকেরা। সেই ক্ষতির রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও জীবিকার তাগিদে আলু চাষে নেমেছেন তারা।

সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। এবারও বিক্রি করতে না পেরে ব্যবসায়ী ও কৃষকের আলু কোল্ড স্টোরেজ গুলোতে জমে আছে। তবুও লোকসানের ঝুঁকি নিয়েই মাঠজুড়ে সবুজ আলুর গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজশাহীর দুর্গাপুরের কৃষকেরা।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, গত মৌসুমে এক বিঘা জমিতে আলু চাষে গড়ে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। কিন্তু বাজারে আলুর ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিক্রি করে উঠেছিল মাত্র ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা। ফলে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হয়েছে অধিকাংশ কৃষককে। অনেকে ধারদেনা ও ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে সেই ক্ষতি সামাল দিয়েছেন। এদিকে এবার শুরুতে কৃষকেরা আগাম জাতের নতুন আলুর দাম কিছুটা ভাল পেয়েছে। তবে বর্তমানে আলুর বাজার একেবারে কম দাম। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি নতুন আলু প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০/২৫ টাকায়।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় মোট ১,৫৪৫ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ডায়মন্ড ৮২০ হেক্টর, কার্ডিনাল ৫৪০ হেক্টর এবং এসটোরিক্স ১৬০ হেক্টর। সবমিলিয়ে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩,২৬০ মেট্রিক টন।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ফসলি মাঠজুড়ে আলুর সবুজ গাছের সারি দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষকেরা সেচ, সার প্রয়োগ ও রোগবালাই দমনে ব্যস্ত। তবে মাঠে কাজের ফাঁকে ফাঁকে কৃষকদের আলোচনায় ঘুরেফিরে আসছে গতবারের লোকসানের কথা।

উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের চুনিয়াপাড়া গ্রামের জুয়েলুর রহমান বলেন, “গত মৌসুমে তিন বিঘা জমিতে আলু করে প্রায় ৬০ হাজার টাকা লোকসান হয়েছিল। ঋণ শোধ করতেই হিমশিম খাচ্ছি। তবুও আলু চাষ ছাড়া উপায় নেই—এটাই আমাদের প্রধান ফসল হিসেবে বছরের পর ধরে করে যাচ্ছি।

মাড়িয়া গ্রামের কৃষক বায়েজীদ বলেন,
“গত মৌসুমে ক্ষেত থেকেই কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি। এবার ফলন ভালো হলে আর দাম ঠিক থাকলে আগের লোকসান কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছি। গতবারের লোকসানের ঝুঁকি নিয়ে এবারও আশা-নিরাশার দোলাচলে রয়েছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী বলেন, মাঠ পরিদর্শন করে দেখা গেছে আলুর ফসলে সার্বিক অবস্থা সন্তোষজনক। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে নাবী ধ্বসার ঝুঁকি আছে। আক্রান্ত গাছ দ্রুত তুলে ফেলা এবং অনুমোদিত ছত্রাকনাশক প্রয়োগে রোগ রোধ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সঠিক সার ব্যবস্থাপনা এবং রোগ প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।