আনিস সুমন শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া মৌজার ২৪ একর ৬৬ শতক জমি নিজেদের দাবি করে জমির মালিকগন আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আটুলিয়া চরের বিল গ্রামের রবিউল ইসলাম।
তিনি বলেন, গত ২০ জানুয়ারি শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে উপর উল্লেখিত জমি তাদের দাবি করে মানববন্ধনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মতিয়ার গন বক্তব্য রাখেন। যাহা সম্পূর্ণ কল্পকাহিনী ছাড়া আর কিছুই না।
প্রকৃত ঘটনা হলো আমরা সিএস ২৪৯ নং খতিয়ান, আরএস ৫৪১ নং খতিয়ান এসএ ৬৬৮ নং খতিয়ান এবং বিআরএস ৬২৩ খতিয়ানের মালিক। মোট ৪৬ একর জমি এর মধ্যে বিবাদী আতিয়ার গাজী, মতিয়ার গাজী গং ২৪ একর ৬৬ শতক জমি দাবি করে,যাহা সঠিক নয়ে।
বর্তমানে ২৪ একর ৬৬ শতক জমিতে আমাদের বাড়ি, কবরস্থান, মসজিদ দীর্ঘদিন আমরা উক্ত জমি শান্তিপূর্নভাবে ভোগদখল করে আসছি। বতর্মানে সেখানে আমাদের মৎস্য ঘের চলমান। আতিয়ার, মতিয়ার গাজী গং সম্পূর্ন মিথ্যা, অনৈতিক দাবি তুলে প্রকৃত জমির মালিকগণ যথাক্রমে আব্দুল জব্বার সানা, আবুল হোসেন সানা, আব্দুল মাজেদ সানা, জিএম বজলুর রশিদ, হাছিম সরদার কোবলা বুনিয়াদে মালিক ২ একর ৬৬ শতক ও মোঃ রবিউল ইসলাম কোবলা সূত্রে ৬৬ শতক জমি। মানববন্ধনে প্রকৃত মালিকদের সন্ত্রাসী বানাইয়া রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা চালাচ্ছে।
আরও উল্লেখ করেন, জিএম আলতাফ হোসেন লাভলু, পিতা- মৃত, আনোয়ার হোসেন গাজী, মোঃ সুজাত হোসেন সানা, পিতা- মোঃ শওকাত আলী সানা উক্ত সম্পত্তি নিয়ে শ্যামনগর থানায় বসাবসি হলে তারা থানার মধ্যে অশালীন আচরন করে যাহার প্রেক্ষিতে তাদের নামে শ্যামনগর থানায় সাধারন ডায়েরী করা হয়, জিডি নং- ১২৮৭। তাহাছাড়া তর্কিত জমি নিয়ে ফৌজদারি আদালতে ৬/৭ টি কেস হয়েছিল। যাহা আমাদের পক্ষেই দখল অনুযায়ী রায় হাওয়ার কারনে আতিয়ার গাজী গং দখলে যাইতে পারে নাই বলিয়া জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে। আপনাদের লেখনির মাধ্যমে প্রশাসনে হস্ত কামনা করেছেন।

