মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েল,কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
আমাকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ এনে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার-এর কেন্দুয়া উপজেলা প্রতিনিধি কোহিনূর আলম।
তিনি জানান, গত ১৫ জানুয়ারি “তথ্য সংগ্রহকালে বিএনপির হাতে সাংবাদিক হেনস্তা, পুলিশের সাহায্যে সাংবাদিক উদ্ধার” এবং “তথ্য সংগ্রহে গিয়ে ফাঁদে পড়লেন সাংবাদিকরা, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ” শিরোনামে বিডি পার্টনার টিভি (অনলাইন ই-পেপার), বিবিসি নিউজ২৪সহ কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের একটি অংশ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া।
প্রকাশিত ওই সংবাদের তথাকথিত ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের তালিকায় চতুর্থ ক্রমে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের কেন্দুয়া উপজেলা প্রতিনিধি কোহিনূর আলমের নাম উল্লেখ করা হয়। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় উপস্থিত থাকলেও তাকে কেউ আটক করেনি, পুলিশ কর্তৃক উদ্ধার করা হয়নি এবং কোনো ধরনের মুচলেকা দিয়েও মুক্তি পেতে হয়নি।
প্রকৃত ঘটনার বর্ণনায় কোহিনূর আলম বলেন, গত ১৪ জানুয়ারি গাজীপুর থেকে আগত কয়েকজন কথিত সাংবাদিক ও এক ভুক্তভোগী নারী তাকে তথ্য গোপন রেখে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের বীরমুহুরী গ্রামে নিয়ে যান একটি অভিযোগের তথ্য সরেজমিনে সংগ্রহের জন্য। তথ্য সংগ্রহকালে এলাকাবাসী সহযোগিতা করলেও পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন—বিষয়টি তাদের সেখানে যাওয়ার দুই দিন আগেই সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে মীমাংসিত হয়েছিল।
এ অবস্থায় তিনি উপস্থিত সকলের সামনে বলেন, বিষয়টি যেহেতু আগেই মীমাংসিত, সেখানে তাদের যাওয়াই উচিত হয়নি এবং অবস্থান করার প্রয়োজন নেই। পরে ফেরার পথে এলাকাবাসী মূল ঘটনা বুঝতে পেরে কিছু স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে ওই ভুক্তভোগী নারীসহ গাজীপুর থেকে আগত অন্যদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল—এর আগেও একই ব্যক্তিরা সাংবাদিক পরিচয়ে সেখানে এসে চাঁদাবাজির চেষ্টা করেছে।
কোহিনূর আলম বলেন, তিনি বিষয়টি সবাইকে অবহিত করে সেখান থেকে নিরাপদে চলে আসেন এবং কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হননি। অথচ পরবর্তীতে তাকে জড়িয়ে ভিন্ন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।
তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, ক্ষুব্ধ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আমাকে জড়িয়ে এসব শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।”
এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি অবিলম্বে সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদের আনুষ্ঠানিক সংশোধনের জন্য বিনীত আহ্বান জানান।

