Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যশোর-৫ আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা: কে জিতবেন?

রিপন হোসেন সাজু, মনিরামপুর (যশোর)
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রিপন হোসেন সাজু, মনিরামপুর (যশোর)

যশোর-৫ (মনিরামপুর-৮৯) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। ভোটার ও স্থানীয়দের মধ্যে চলছে ভোটের আগে নানা আলোচনা, বিশ্লেষণ এবং রাজনৈতিক উত্তাপ।

শনিবার(৩১ জানুয়ারি)দুপুরে মনিরামপুর উপজেলা পরিষদের সামনে একটি চায়ের দোকানে সাধারণ ভোটাররা ভোটের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে আলোচনা করছিলেন। বিজয়রামপুর গ্রামের আসবাবপত্রে রং করা শ্রমিক নওশের আলী (৫৮) মনে করেন, “মনিরামপুরে ধানের শীষ জিতবে। তবে কলস এবং ধানের শীষ ভোট কেটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থায় থাকতে পারে।” ফেদাইপুর গ্রামের ডিম বিক্রেতা হোসেন আলী (৫০) বলেন, ধানের শীষের প্রার্থী নতুন মুখ রশীদ আহমাদ। তার বাবা মুফতি ওয়াক্কাসকে ভোটাররা চিনতেন, তবে নিজেকে খুব বেশী পরিচিত করতে পারেননি। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো: ইকবাল হোসেনেরও ভোট কেটে যেতে পারে।

মনিরামপুরে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির জোট শরিক দলের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশীদ আহমাদ ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। জামায়াতের গাজী এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জয়নাল আবেদীন হাতপাখা প্রতীকে, জাতীয় পার্টির এম. এ. হালিম লাঙ্গল প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো: ইকবাল হোসেন কলস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া মো: কামরুজ্জামান ফুটবল প্রতীকে লড়ছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো: ইকবাল হোসেন মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে বিএনপির মনোনয়ন পান, পরে তা পরিবর্তিত হয়ে জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী রশীদ আহমাদকে দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন এবং দল থেকে বহিষ্কার হন। শহীদ মো: ইকবাল হোসেন ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

মনিরামপুরের হরিদাসকাটি ইউনিয়নে ভোটারের অর্ধেকের বেশি হিন্দু সম্প্রদায়। নেবুগাতী গ্রামের মিলন মন্ডল জানান, ভোটের পরিবেশ ভালো এবং ভোটাররা সচেতনভাবে প্রার্থীদের নির্বাচন ও প্রতিশ্রুতি যাচাই করছেন। শহীদ মো: ইকবাল হোসেন জানান, “ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ জয়লাভ করবো। তবে কিছু খবর আছে, হিন্দু এলাকায় ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে।” রশীদ আহমাদও জানান, “ভোটারদের অনেক সাড়া পাচ্ছি। আমার পিতার রাজনৈতিক পরিচিতির কারণে ভোটারদের সাড়া বেশি। ইনশাআল্লাহ জয়লাভ করবো।”

যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ২১৫ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৩ জন এবং হিজড়া ভোটার ৪ জন।

প্রচারণার মধ্য দিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করছে প্রার্থীরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং, ব্যানার এবং লিফলেট বিতরণ চলছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে প্রতিটি প্রার্থীর অবস্থান, হিন্দু ভোটের প্রভাব এবং জোট-বিরোধী ভোট কেমন হতে পারে—এসব নিয়েও চলছে বিশ্লেষণ।

মনিরামপুরে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটের ফলাফলকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোন প্রার্থী এগিয়ে থাকবেন তা নির্ধারণ করা কঠিন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।