হুমায়ন কবির মিরাজ, বেনাপোল
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত ছয় কার্যদিবসে ১৫টি চালানে ৫৮টি ট্রাকে মোট ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানি হয়েছে। দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় রাখতে সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় এ চাল ছাড়ের অনুমতি দিয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, সোমবার ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের একটি চালানে তিনটি ট্রাক বন্দর এলাকার ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব চাল আমদানি সম্পন্ন হয়।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান দুটি হলো মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ। সংশ্লিষ্টরা জানান, সব খরচসহ প্রতি কেজি চালের আমদানি মূল্য পড়ছে প্রায় ৫০ টাকা, যা বাজারে সরবরাহ বাড়িয়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দর সূত্র আরও জানায়, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে মোট ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়। নির্ধারিত সময়সীমা আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল দেশে বাজারজাত করতে হবে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন রেজা বলেন, বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৬ দিনে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি হয়েছে এবং দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং খুচরা পর্যায়ে চালের দাম সহনীয় রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

