Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঢাকা বিভাগ
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দিনাজপুর
  15. দৌলতপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জয়পুরহাটে আলুর বাম্পার ফলন, দাম কমে হতাশ কৃষক

জয়পুরহাট প্রতিনিধি 
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জয়পুরহাট প্রতিনিধি 

জয়পুরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলার মাঠে এখন আলু তোলার ধুম। নারী শ্রমিকরা মাটির বুক চিরে আলু তুলছেন। প্রতি শতকে বিভিন্ন জাতের আলু চার থেকে সাড়ে চার মণ পর্যন্ত ফলন হচ্ছে। ফলন বাম্পার হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকদের চোখেমুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট।

সোমবার সকালে বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, আলু তোলার উপযুক্ত সময় হওয়ায় কৃষকরা আলু তুলছেন। কিন্তু দাম কম থাকায় অনেকেই তা বিক্রি না করে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রাখছেন। কৃষকদের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে সার, বীজ, সেচ, নিড়ানি ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ বর্তমান বাজারদরে প্রতি বিঘার আলু বিক্রি করে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা। ফলে বিঘাপ্রতি ২০ হাজার টাকারও বেশি লোকসান গুনতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাদা জাতের ডায়মন্ড ও লাল স্টিক আলু প্রতি মণ (৪০ কেজি) ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গ্যানোলা জাতের আলু বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকায়। কয়েকদিন আগেও এক মণ আলু ৬০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায় নেমে এসেছে বলে জানান কৃষকরা।

কালাই উপজেলার হাতিয়র মাঠে আলু তুলছিলেন কৃষক তাজমহল হোসেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখন আলুর দাম বেশি হওয়ার কথা। কারণ হিমাগারগুলোতে আলু কেনা শুরু হয়েছে। কিন্তু দাম আরও কমে যাচ্ছে। আমরা কৃষকরা এখন কোথায় যাবো?”

ক্ষেতলাল উপজেলার কৃষক উজ্জ্বল হোসেন বলেন, “সরকারকে দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে চাষাবাদ ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।”

সবজি রপ্তানিকারক আব্দুল বাসেদ জানান, গত বছরগুলোতে আলু রপ্তানি হলেও এবার তা শুরুই হয়নি। তিনি বলেন, আগে রপ্তানিতে ২০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হলেও এবার তা কমিয়ে ১০ শতাংশ করায় রপ্তানি কমেছে।

জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি শামস মতিন বলেন, সহজ শর্তে ও কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করলে উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং আলু রপ্তানি বাড়বে। এতে কৃষকরা লোকসান থেকে রক্ষা পাবেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় ৩৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। আলুভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলা গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন। পাশাপাশি সরকারও উল্লেখযোগ্য রাজস্ব অর্জন করতে পারবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।