Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঢাকা বিভাগ
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দিনাজপুর
  15. দৌলতপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শার্শায় আমের মুকুলে সুবাসিত স্বপ্ন, বাম্পার ফলনের আশা

হুমায়ন কবির মিরাজ, বেনাপোল
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ ৩:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হুমায়ন কবির মিরাজ, বেনাপোল

শার্শা উপজেলার আম্রকাননে এখন ঋতুরাজের নীরব উৎসব। সোনালি-সবুজ আভায় মোড়া ডালপালা, মিষ্টি ঘ্রাণে ভরা বাগান এবং মৌমাছি ও কোকিলের কুহুতানে গ্রামবাংলার পথঘাট যেন মুখর হয়ে উঠেছে বসন্তের আগমনী সুরে। স্থানীয় কৃষকদের চোখে ভাসছে সম্ভাব্য সমৃদ্ধির স্বপ্ন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, বাণিজ্যিক বাগান থেকে শুরু করে বাড়ির আঙিনার গাছেও ব্যাপকভাবে মুকুল এসেছে। বড় গাছের তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে তুলনামূলকভাবে বেশি মুকুল দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার প্রায় ৯০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অঞ্চলে দেশি জাতের পাশাপাশি হিমসাগর, আম্রোপালি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, মল্লিকা, বুম্বাই, কাটিমন ও বারি জাতের আমের চাষ করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলায় মোট ১ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের আবাদ হচ্ছে এবং নিবন্ধিত আমচাষির সংখ্যা ৪ হাজার ৬৬৮ জন। এর মধ্যে হিমসাগর ৩৩৭ হেক্টর, আম্রোপালি ২১৫ হেক্টর, ল্যাংড়া ও গোপালভোগ প্রত্যেকে ১৫৫ হেক্টর, গোবিন্দভোগ ৬০ হেক্টর, মল্লিকা ৩৫ হেক্টর, বুম্বাই ৫৯ হেক্টর, কাটিমন ৯ হেক্টর, বারি-৪ ২০ হেক্টর, বারি-১১ ১ হেক্টর এবং দেশি জাতের আম রয়েছে ৩৪ হেক্টর জমিতে। যশোর জেলার শার্শা, ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি আমের চাষ হয়ে থাকে।

কায়বা ইউনিয়নের চাষি আব্দুল মান্নান জানান, “চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। কুয়াশা বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত না থাকায় গাছে স্বাভাবিকভাবে মুকুল এসেছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের পোকার আক্রমণও দেখা যায়নি। যদি ঝড় বা শিলাবৃষ্টি না হয়, তাহলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।”

আরেক চাষি ইসমাইল হোসেন বলেন, “এবার গাছের অবস্থা বেশ ভালো। আমরা নিয়মিত বাগান পর্যবেক্ষণ করছি এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যা করছি। মুকুলের পরিমাণ দেখে মনে হচ্ছে ফলন সন্তোষজনক হবে।”

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার শাহা জানান, “এ অঞ্চলের দোআঁশ মাটি ও জলবায়ু আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে রয়েছে, ফলে গাছে মুকুলের পরিমাণ সন্তোষজনক। তবে ছত্রাকজনিত রোগ বা হঠাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। চাষিদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে বলা হচ্ছে।”

সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে শার্শায় আমের বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মুকুলের এই সুবাস তাই শুধু প্রকৃতির রূপ নয়, বরং হাজারো কৃষকের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।