Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঢাকা বিভাগ
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দিনাজপুর
  15. দৌলতপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তরমুজ চাষে ব্যস্ত উপকূলের চাষিরা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ ২:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার উপকূলীয় অঞ্চল কয়রা উপজেলায় তরমুজ চাষ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কেউ বীজতলা প্রস্তুত করছেন, কেউ চারা রোপণ করছেন আবার কেউ জমিতে সেচ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত। মৌসুমের শুরু থেকেই তরমুজের ভালো ফলনের আশায় দিনরাত পরিশ্রম করছেন কৃষক-কৃষানীরা।

তবে সার, কীটনাশক ও বিভিন্ন কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা। গত বছর তরমুজ চাষে লোকসানের কারণে এ বছর আবাদ কিছুটা কম হয়েছে বলে জানান কৃষকরা। তারা আশা করছেন, চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হলে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন। তরমুজ চাষকে ঘিরে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তারাও সন্তুষ্ট।

কয়রা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। অধিকাংশ জমিতে হাইব্রিড ও উচ্চফলনশীল উফশী জাতের তরমুজ চাষ করা হয়েছে।

চটকাতলা বিলের কৃষক সুজন জানান, তিনি ৮ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করছেন। তবে এখনো উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সরেজমিনে এসে পরামর্শ দেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ পেলে ফলন আরও ভালো হবে বলে আশা করেন তিনি।

চন্ডিপুর বিলের কৃষক মিঠুন সরকার বলেন, তিনি এ বছর ১২ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে গাছের চারা বের হয়েছে এবং পরিচর্যার কাজ চলছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদী।

একই এলাকার কৃষক অপূর্ব সানা জানান, লিজ নিয়ে ৮ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। প্রতি বিঘায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হবে। ফলন ভালো হলে বিঘাপ্রতি প্রায় এক লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।

চন্ডিপুর বিলের কৃষক লিংকন বলেন, তিনি নিজস্ব ৩ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। বর্তমানে চারা পরিচর্যার কাজ চলছে এবং আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

চটকাতলা বিলের কৃষক সেলিম হোসেন জানান, তিনি হারি নিয়ে ৩০ বিঘা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। গত বছর লাভবান হওয়ায় এবারও চাষে আগ্রহী হয়েছেন। প্রতি বিঘায় প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে এবং ভালো ফলন হলে বিঘাপ্রতি প্রায় এক লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করা যাবে বলে আশা করছেন।

কয়রা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তিলোক কুমার ঘোষ বলেন, তরমুজ একটি লাভজনক ফসল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছেন এবং মাঠপর্যায়ে তাদের পাশে রয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।