জুলফিকার বাবলু, মাদারগঞ্জ(জামালপুর) প্রতিনিধি
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ই চুড়া ইউনিয়নের ভেলামারি সামান পাড়া গ্রামে এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে এক লম্পট সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার।
ধর্ষণের শিকার ভেলামরি সামান পাড়া গ্রামের নুর নবী ওরফে ফকিরের মেয়ে নূপুর আক্তার (১২) প্রতিবেশী মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মাসুদুর রহমান মাসুদ (৪৫)শিশুটিকে কৌশলে শনিবার বিকাল ৪ টা থেকে সাড়ে ৪ টার মধ্যে শিশুটির দাদির ঘরে নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করে।
এই ঘটনায় শিশুর মা শিরিনা বেগম বাদী হয়ে মেম্বার মাসুদুর রহমান মাসুদকে আসামী করে পরদিন রবিবার মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।মামলা নং ১৬ তারিখ – ২৯ মার্চ।বাদী শিশুর মা’র অভিযোগ থেকে জানা যায়, আমার মেয়ে ভিকটিম নূপুর আক্তার
(১২) দীর্ঘদিন যাবৎ থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। আমার স্বামী সৌদি প্রবাসী। বিবাদী মো.মাসুদুর রহমান মাসুদ (সাবেক মেম্বার) (৪৫), আমাদের প্রতিবেশী হওয়ায় সে
প্রায় সময় আমাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। এক পর্যায়ে ২৮মার্চ বিকাল অনুমান ৩ টার সময় আমার মেয়ে ভিকটিম নূপুর আক্তার (১২) কে বাড়িতে একা রাখিয়া
আমার চাচাতো দেবর লিখনকে আগাইয়া দেওয়ার জন্য কালু মন্ডলের ব্রিজে যাই।
আমার দেবরকে আগাইয়া দিয়া বাড়ি ফেরার পথে আমার জেঠা শ্বশুর ছালামের বাড়িতে যাইয়া গল্প করার সময় অনুমানিক বিকাল ৫ টায় আমার মেয়ে ভিকটিম নূপুর আক্তার তার কাছে আসে এবং কান্না–কাটি করে ধর্ষণের বিস্তারিত ঘটনা তার মাকে জানান যে,মাসুদ মেম্বার তার দাদির ঘরে আসে এবং তাকে পান আনতে বলে।
সে পরবর্তীতে পান নিয়ে দাদির ঘরে আসিলে ভিকটিম নুপুরের মুখ চাপিয়া ধরে এবং তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।মাসুদ মেম্বার ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখায়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল জানান, ভিকটিম নুপুরের ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে তবে রিপোর্ট পেতে কয়েক দিন সময় লাগতে পরে।
ওসি ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, অভিযোগ পাওয়া পর মামলাটি এফআইআর করা হয়েছে এবং মামলাটি গুরুত্ব ভাবে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। আসামি কে দ্রুত গ্রেফতারের সকল প্রকার ব্যবস্তা নেওয়া হয়েছে।

