Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ৩১ মার্চ ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়ে স্বপ্ন দেখে মেহেদী, ফিরতে চায় ক্লাসরুমে

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি
মার্চ ৩১, ২০২৬ ২:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি

দারিদ্র্যের কষাঘাতে থেমে গেছে পড়ালেখা, তবুও স্বপ্ন দেখে আবার স্কুলে ফেরার ।দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরশহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কল্যাণপুর গ্রামের ১৪ বছর বয়সী কিশোর মেহেদী হাসান। যে বয়সে বই-খাতা আর খেলাধুলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই তাকে জীবিকার তাগিদে ছুটতে হচ্ছে আইসক্রিমের ভ্যান নিয়ে।

জন্মের পরই বাবা লোকমান হোসেন কে হারায় মেহেদী। মা অন্যত্র সংসার গড়লে নানীর কাছেই বেড়ে ওঠা তার। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও বিরামপুর পৌরসভা দাখিল মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক (ইবতেদায়ী) শিক্ষা শেষ করলেও ষষ্ঠ শ্রেণীতে ওঠার পর আর এগিয়ে যেতে পারেনি সে। তবুও তার চোখে এখনো জ্বলজ্বল করে পড়ালেখায় ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন।

৩১ মার্চ বিরামপুর পৌরশহরের দোয়েল স্টুডিও মোড় সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় মেহেদীর। ক্লান্ত শরীর, তবুও মুখে একরাশ আশা। জানায়, ভোরবেলা আইসক্রিমের ভ্যান নিয়ে বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করে সে। সারাদিন শেষে রাতের দিকে বাড়ি ফেরা।

এই পেশায় আসার আগে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করেছে সে। কিন্তু শারীরিক কষ্ট সহ্য করতে না পেরে বেছে নিয়েছে আইসক্রিম বিক্রির পথ।

মেহেদী জানায়, প্রতিদিন সকালে নানীর সঙ্গে বাড়ির কাজ সেরে শালবাগান রোডের একটি কারখানা থেকে আইসক্রিম নিয়ে বের হয়। এরপর পায়ে প্যাডেল চালিয়ে বিভিন্ন গ্রাম ও স্কুলের সামনে বিক্রি করে।

স্কুলের সামনে গিয়ে যখন তার সমবয়সী শিশুদের ক্লাসে যেতে দেখে, তখন তার মনটা কেঁদে ওঠে। “সুযোগ পেলে আবার পড়ালেখা করতাম”—লাজুক হাসিতে জানায় সে।

দিন শেষে যা আয় হয়, সবই তুলে দেয় নানীর হাতে। সেই সামান্য আয়েই চলে তাদের সংসার।

নানী জাহানারা খাতুন, জানান অনেক কষ্ট করে মেহেদীকে পড়ানোর চেষ্টা করেছি।এখন আর্থিক সমস্যায় ছেলেটার পড়ালেখা করার ইচ্ছা আমি কুলে উঠতে পারছিনা।

মেহেদীর মতো আগ্রহী অথচ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়াতে পারে সমাজের বিত্তবান মানুষ, শিক্ষা অনুরাগী কিংবা বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান। একটু সহায়তাই ফিরিয়ে দিতে পারে তার স্বপ্নের আলো।

একটি বই, একটি সুযোগ—হয়তো বদলে দিতে পারে মেহেদীর জীবন। এখন শুধু অপেক্ষা, কেউ এগিয়ে আসবে—আবার স্কুলের পথে হাঁটবে এই ছোট্ট কিশোর।

এবিষয়ে মেহেদীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিরামপুর পৌরসভা দাখিল মাদ্রাসার সুপার গোলাম মাওলার সাথে কথা বললে তিনি বলেন,সে যদি পড়ালেখা করতে চাই আমার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সবরকমের সহযোগিতা করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।