নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী সদর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় একটি ভেকু মেশিন ও বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, রবিশস্য, মোবাইল ফোন ও গবাদিপশু লুটপাটেরও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
রোববার (৩১ মে) বিকেলে সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে ভুক্তভোগী নাইমুর রহমান মিতুল (৪৫) বাদী হয়ে বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন, যুবদল নেতা পারভেজ আলমসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী নাইমুর রহমান মিতুল ও তার পরিবার এওজবালিয়া মৌজায় পৈতৃক সূত্রে জমির মালিক। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ জাল দলিল তৈরি করে দাবি করলে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আদালত মিতুলের পক্ষে রায় দেন। রায়ের পর গত ৩১ মে বিকেলে তিনি রায়কৃত জমিতে কাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের ২৫-৩০ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা একটি ভেকু মেশিন ও বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া যাওয়ার সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
জমির মালিক নাইমুর রহমান মিতুল বলেন, “আমি পৈতৃক সূত্রে প্রায় ১২ একর জমির মালিক। জমিতে কাজ শুরু করার পরই আসামিরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও মারধর করে কামাল উদ্দিন, তৈমুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম এবং চার মাসের গর্ভবতী শারমিন আক্তারকে গুরুতর আহত করে।”
আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.