যশোর প্রতিনিধি
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অফিসের পশ্চিম পাশের কোয়ার্টারগুলো কর্মকর্তাদের থাকার জন্য বরাদ্দ রয়েছে। অথচ কোয়ার্টারের লালনশাহ ভবনের দুইতলায় সহকারী ইলেক্ট্রিশিয়ান দুই বছর ধরে বসবাস করছেন। যা নিয়ম বহির্ভূতের মধ্যে পড়ে বলে জানান অফিসের অন্য কর্মকর্তারা।তবে, চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।
বোর্ড সূত্র জানায়, ১৯৬৩ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ড স্থাপিত হয়। বোর্ড প্রতিষ্ঠার পরেই অফিসের কর্মকর্তাদের বসবাস করার জন্য অফিসের পশ্চিম পাশে কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয়। কোয়ার্টারগুলো নির্মাণ করা হয়, চেয়ারম্যান, সচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, কলেজ পরিদর্শক, বিদ্যালয় পরিদর্শক, উপপরিচালক, ক্রীড়া অফিসার, সহকারী প্রকৌশলীদের জন্য। যাতে করে তারা অফিস কোয়ার্টারে থেকে সময় মতো অফিস করতে পারে।
বর্তমানে কোয়ার্টারে চেয়ারম্যান, সচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিদ্যালয় পরিদর্শক কোয়ার্টারে থেকে অফিস করছেন। ২০২৪ সালের প্রথম দিকে খালি রয়েছে ক্রীড়া অফিসার, সহকারী প্রকৌশলীর জন্য বরাদ্দকৃত কোয়ার্টারের লালন শাহ ভবন । তারা অন্য জায়গায় বাড়ি ভাড়া করে থাকছেন। ২০২৩ সালে অফিসের পানি পাম্প চালু ও বন্ধ করাসহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সহকারী ইলেক্ট্রিশিয়ান শেখ আব্দুল হান্নানকে নিয়োগ দেয়া হয়। তাকে পানির পাম্পের ঘরে থাকার অনুমতি দেয়া হয়। তিনি পরিবার নিয়ে বাস করার ব্যবস্থার জন্য ২০২৪ সালে সচিবের কাছে আবেদন করেন। ওই সময় সচিব ছিলেন প্রফেসর আব্দুর রহিম। তিনি ২০২৪ সালের শেষের দিকে অফিস কোয়ার্টারের লালন শাহ ভবনের দুইতলায় থাকার জন্য অনুমতি দেয়া হয় বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। যা কখনো নিয়মের মধ্যে পড়ে না বলে জানান অফিসের কর্মকর্তারা।
অফিসের তত্ত্বাবধায়ন শাখার সেকশন অফিসার মোমিন উদ্দীন জানান, কর্মকর্তার কোয়ার্টারে ইলেক্ট্রিশিয়ানকে থাকার অনুমোতি দেয়া হয়েছে আহসান হাবীব চেয়ারম্যান, আব্দুর রহিম সচিব থাকাকালীন সময়ে । তখন আমি তত্ত্বাবধায়ন শাখার দায়িত্বে ছিলাম না। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, কর্মকর্তাদের কোয়ার্টারে কখনোই সহকারী ইলেক্ট্রিশিয়ান থাকতে পারে না। তাদের জন্য অফিসে আলাদা রুম আছে। অফিসের প্রশাসন শাখা যদি তাকে কোয়ার্টারে থাকতে অনুমতি দিয়ে থাকে, এটা অন্যায় করেছে।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম বলেন কর্মকর্তার কোয়ার্টারে সহকারী ইলেক্ট্রিশিয়ানের থাকার অনুমতি দেয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। খোঁজ নিয়ে বলতে পারবো।
এ প্রসঙ্গে বোর্ডের তৎকালীন সচিব প্রফেসর আব্দুর রহিম জানান, অফিসের সার্বক্ষণিক ইলেক্ট্রিশিয়ানকে প্রয়োজন হয়। তাদের জন্য কোয়ার্টার বরাদ্দ নেই। কর্মকর্তাদের লালন শাহ ভবনের অবস্থা তেমন ভাল না। এ কারণে ওই ভবনে সহকারী ইলেক্ট্রিশিয়ান শেখ আব্দুল হান্নাকে থাকার অনুমতি দেয়া হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.