ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি (২৭) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মরদেহ শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে পৌরসভার কানুয়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
নিহত বাপ্পি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ অবস্থায় বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম কিছুদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গত ১৪ জুন তিনি ঢাকা থেকে বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং পরে বাপ্পিও সেখানে যান।
নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীমের দাবি, সোমবার (১৫ জুন) রাতে খাবার শেষে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হলেও পরে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো একসময় ঘুম ভেঙে বাপ্পিকে খাটে না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখেন। এরপর ওড়না কেটে নিচে নামিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।
অন্যদিকে নিহতের মা রুবী বেগম দাবি করেছেন, এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
ঘটনার পর উভয় পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আরও কিছু অভিযোগ উত্থাপন করা হলেও সেগুলোর সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.