ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠির নলছিটিতে পুলিশের উপস্থিতিতে এক কৃষকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ১১টার দিকে উপজেলার বিন্দুঘোষ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত পক্ষ ও পুলিশ।
ভুক্তভোগী কৃষক হানিফ খান অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী জালাল খান ও কবির খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের চেষ্টা করলে বাধা দেওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় ও আদালতে মামলা করেন।
তার অভিযোগ, শুক্রবার রাতে নলছিটি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) করুনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে তার বাড়িতে যায়। বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় তার স্ত্রী ও মেয়ে দরজা খুলতে দেরি করলে পুলিশের উপস্থিতিতেই প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
হানিফ খানের দাবি, হামলাকারীরা ঘর থেকে গরু ও মাছ বিক্রির ৭০ হাজার টাকা, তার মেয়ের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে যায়। এ সময় তার স্ত্রী ও মেয়েকে মারধরও করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিপক্ষ কবির খান বলেন, “পুলিশ আসামি ধরতে হানিফ খানের বাড়িতে গিয়েছিল। সেখানে আমাদের কোনো লোকজন যায়নি। আমরা কাউকে মারধর বা লুটপাট করিনি।”
নলছিটি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) করুন বলেন, “পুলিশ গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গিয়ে কাউকে না পেয়ে ফিরে আসে। পরে শুনেছি, তারা নিজেরাই ঘর ভাঙচুর করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, “আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল করতে এসআই করুন ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। দরজা খোলা নিয়ে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কিছু কথা-কাটাকাটি হয়। আসামিকে না পেয়ে পুলিশ ফিরে আসে। পুলিশকে বিতর্কিত করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.