শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার একটি বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার সন্দেহ করা হলেও, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার রাজৈর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে কবির হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্বজনদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, সেই বিরোধের জেরেই স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন।
তবে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া একটি হাতে লেখা চিরকুটে উল্লেখ রয়েছে, “এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” চিরকুটটি কে লিখেছেন এবং এর সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামত ও অন্যান্য তথ্য গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাস বয়সী শিশুসন্তানটি ঘরেই ছিল। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.