ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠির নলছিটিতে স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানসহ মুন্নি আক্তার কলী নামে এক গৃহবধূকে শ্বশুরবাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভাসুরের ছেলে, ননদ ও ননদের জামাইসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ ঝালকাঠির আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা শান্ত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় ভাসুরের ছেলে শহীদ আলম, ননদ তাসলিমা বেগমসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নি আক্তার কলীর স্বামী মো. রফিক ২০২৪ সালের ২৭ মে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দরে অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরে তার মরদেহের সঙ্গে সৌদি আরবে জমাকৃত ১৮ হাজার ৪০০ সৌদি রিয়াল, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র দেশে পাঠানো হয়।
বাদীর অভিযোগ, তাকে ও তার সন্তানদের না জানিয়ে দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে জাল প্রত্যয়নপত্র তৈরি করে আসামিরা মরদেহের সঙ্গে পাঠানো নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রহণ করেন। পরে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, গত ২ জুলাই আসামিরা বাদীর ঘের থেকে প্রায় ২০ মণ মাছ লুট করে, ঘেরের বাঁধ কেটে দেয় এবং বাগানের ১৩টি গাছ কেটে ফেলে। বাধা দিতে গেলে মুন্নি আক্তার কলী ও তার দুই সন্তানকে মারধর করা হয়। পরে বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে তাদের ঘর থেকে বের করে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে মামলার প্রধান আসামি শহীদ আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "বাদীর আনা সব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হয়রানির জন্য আমাকে ও অন্যদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।"
মামলার বিষয়ে আদালতের পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.