নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে শান্তা বেগম (৩৩) নামে এক পোশাক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার সঙ্গে হোটেলে অবস্থানকারী লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার ‘ই ভ্যালি’ আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানা।
নিহত শান্তা বেগম গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে শান্তা বেগম লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে ওঠেন। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, হোটেলে কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় তিনি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন। এছাড়া হোটেল কর্তৃপক্ষ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যথাযথভাবে যাচাই বা সংরক্ষণ না করেই কক্ষ ভাড়া দিয়েছে বলেও তদন্তে প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে।
বাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুপক জানান, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিভিন্ন আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে বাসন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তদন্তের মাধ্যমে হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং পলাতক ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক তথ্য অনুযায়ী শান্তা বেগম স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন। তার দুটি বিয়ে হয়েছিল এবং তিনি দুই সন্তানের জননী।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.