হাসান শাহরিয়ার পল্লব,পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত পত্নীতলা উপজেলায় এখন আমন ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। উপজেলার মাঠজুড়ে চলছে আমন চারা রোপণের উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে ফসলের মাঠ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে মোট ২৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের উৎসাহিত করতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৪ হাজার ১০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে ৫ কেজি করে আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের উদ্যোগে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ, উঠান বৈঠক ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ বছর উপজেলায় উচ্চফলনশীল ব্রিধান-৮৬, ব্রিধান-৯৫, ব্রিধান-১০৩, বিনা ধান-১৭ ও স্বর্ণা-৫সহ বিভিন্ন আধুনিক জাতের আমন ধানের চারা রোপণ করছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি প্রস্তুত, মই দেওয়া, বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন এবং জমিতে চারা রোপণের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও শ্রমিকরা। ধান রোপণের জন্য কৃষি শ্রমিকরা বিঘাপ্রতি গড়ে ১ হাজার ৪০০ টাকা মজুরিতে কাজ করছেন।
নজিপুর ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষক জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে তারা সময়মতো আমন ধান রোপণ করতে পারছেন। আবহাওয়া ও সার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, “ইতোমধ্যে প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি জমিতে আমন ধান রোপণ শেষ হয়েছে। মাঠপর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের রোগবালাই দেখা না দিলে এবার আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।”
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.