শফিকুল ইসলাম সাফা,চিতলমারী
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংকটে ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র শিল্প এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনে-রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেড়ে যাওয়ায় স্কুল-কলেজ ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।
এদিকে তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের পাশাপাশি পোলট্রি খামার মালিকরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কারণে রাতে ঠিকমতো ঘুমানো যাচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছে না, ফলে পরীক্ষার প্রস্তুতিও ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানান।
চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বলেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এ বিষয়ে চিতলমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম (অতিরিক্ত) প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, “চিতলমারী উপজেলায় প্রায় ৪৩ হাজার গ্রাহকের জন্য দৈনিক প্রায় ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে দিনে-রাতে মিলিয়ে ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।”
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.