আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ব্র্যাকের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিইআইপি)-এর আওতাধীন ‘রেইন ফর লাইফ’ প্রকল্পের উদ্যোগে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে আশাশুনি অ্যাডাপটেশন ক্লিনিক প্রাঙ্গণে বসতবাড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব চারা বিতরণ করা হয়।
রয়্যাল ড্যানিশ দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের অপারেশন ম্যানেজার মো. সফিকুর রহমান স্বপন। প্রধান অতিথি ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান। এছাড়া ব্র্যাকের কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম, কাজী এনামুল হক এবং সেক্টর স্পেশালিস্ট (কৃষি) মো. শাহীন হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “আশাশুনি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। ব্র্যাকের এই উদ্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে পরিবারগুলো সারা বছর ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারবে। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিযোজন সক্ষমতা আরও বাড়াবে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলের উপযোগী এবং সারা বছরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সক্ষম এমন গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
ব্র্যাক জানায়, প্রকল্পের আওতায় আশাশুনি উপজেলার আশাশুনি, বড়দল, বুধহাটা, কাদাকাটি ও কুল্লা ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের অংশগ্রহণে বাস্তবায়িত এ কার্যক্রম উপকূলীয় অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.