মফিজুল ইসলাম, ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া কুমার নদ কচুরিপানায় প্রায় ঢেকে গেছে। এতে আসন্ন দুর্গাপূজায় প্রতিমা বিসর্জন ও নৌযান চলাচল নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে। দুর্গাপূজার আগেই নদ থেকে কচুরিপানা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুমার নদের দুই তীরে শৈলকুপা শহর ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ৩০০ হিন্দু পরিবারের বসবাস। প্রতিবছর সেখানে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। শৈলকুপার সবচেয়ে বড় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনের প্রধান স্থানও এই কুমার নদ।
স্থানীয়রা জানান, আগের বছরগুলোতে প্রতিমা বিসর্জনের দিন নদীর ডোলভিটা থেকে নতুন ব্রিজ পর্যন্ত এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হতো। হাজারো মানুষ নৌকায় করে বিসর্জন দেখতে আসতেন। প্রতিমা ডাবল নৌকায় এবং পরিবারের সদস্যরা সাধারণ নৌকায় করে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কুমার নদের বিভিন্ন ঘাটে ঘুরে বেড়াতেন। পরে নিজ নিজ ঘাটে গিয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হতো।
তবে এবার নদজুড়ে ব্যাপক কচুরিপানা জমে থাকায় নৌকা চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি কচুরিপানার কারণে মশার উপদ্রবও বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দা সুশান্ত কুমার বলেন, “কুমার নদে যেভাবে কচুরিপানা জমেছে, তা পরিষ্কার না করলে এবার প্রতিমা বিসর্জনে সমস্যা হবে। দুর্গাপূজার আগেই নদটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।”
স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দাবি, দুর্গাপূজার আগেই প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিয়ে কুমার নদ থেকে কচুরিপানা অপসারণ করলে নির্বিঘ্নে প্রতিমা বিসর্জন এবং নৌকায় উৎসব উপভোগ করা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহফুজুর রহমান জানান, দ্রুতই কুমার নদের কিছু অংশ থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.