নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর সাপাহারে একটি দিঘির মালিকানা ও দখল নিয়ে সামাজিক বন বিভাগ ও একটি পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে ওই দিঘিতে বন বিভাগের লোকজন জাল ফেলে মাছ ধরেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বন বিভাগ বলছে, দিঘির আগাছা পরিষ্কারের জন্য জাল ব্যবহার করা হচ্ছে।
আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, বিরোধপূর্ণ দিঘির স্বত্ব নিয়ে সামাজিক বন বিভাগ, রাজশাহীর পক্ষে সাপাহার ফরেস্ট বিট অফিসার বাদী হয়ে নওগাঁর যুগ্ম জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতে ২৯/২০১৭ নম্বর স্বত্ব ঘোষণার মামলা করেন। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট আদালত নালিশি সম্পত্তিতে সামাজিক বন বিভাগের স্বত্ব ঘোষণা করে মামলাটি ডিক্রি দেন।
ওই রায়ের বিরুদ্ধে মো. জাহিদুল ইসলাম নওগাঁ জেলা জজ আদালতে ৯১/২০২৬ নম্বর স্বত্ব আপিল মামলা করেছেন। আপিলের সঙ্গে তিনি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনও করেন। আদালত বিবাদী পক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দিঘিতে প্রবেশ, মাছ ধরা, গাছপালা কাটা বা লিজ দেওয়ার বিষয়ে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন।
আপিলকারী পক্ষের দাবি, প্রায় ৭ দশমিক ২৯ একর আয়তনের দিঘিটি দীর্ঘদিন ধরে তারা মাছ চাষসহ ভোগদখল করে আসছেন। বন বিভাগ দিঘিটিকে নিজেদের সম্পত্তি দাবি করলেও তাদের সেই দাবি সঠিক নয় বলে দাবি করেন তারা।
দিঘিতে মাছ ধরার অভিযোগের বিষয়ে খঞ্জনপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান বলেন, ‘দিঘিটির বিষয়ে বন বিভাগের পক্ষে আদালতের রায় রয়েছে। দিঘিতে প্রচুর আগাছা থাকায় জাল ফেলে সেগুলো পরিষ্কার করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে দিঘিটি লিজ দেওয়া হবে।’
বিরোধপূর্ণ দিঘিটির মালিকানা ও দখল নিয়ে করা স্বত্ব আপিল মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। ফলে দিঘিটির মালিকানা ও দখল বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপিল আদালতের আদেশের ওপর নির্ভর করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.