কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সার নিয়ে যেসব জেলায় সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার সংসদ সদস্যরা ১১ দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তাঁদের দলীয় লোকজন এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সার ডিলারদের অধিকাংশই স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। যেসব জেলায় বিএনপির সংসদ সদস্য রয়েছেন, সেসব জেলায় সার নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
বর্তমান সরকারের সময়ে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
সেতুর স্থান পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে বিরোধী দল ও এনসিপি নেতাদের সমালোচনা করেন মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, বিরোধী দলের নেতারা সংসদে বলেন সব ঠিক আছে, আবার বাইরে গিয়ে বলেন, ‘তেল দে, গ্যাস দে, নইলে গদি ছেড়ে দে।’ এ সময় আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বিএনপি ও ছাত্রদলের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন স্টার নিউজের সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম।
পরে প্রতিমন্ত্রী গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণের দুটি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহসহ স্থানীয় বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.