চিতলমারী উপজেলা জুড়ে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে চোখ ওঠা রোগ। প্রতিদিন এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ইতোমধ্যে এই রোগে কয়েক হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। চোখের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রাইভেট ডাক্তারদের চেন্বারে আক্রান্তদের ভীড় বাড়ছে। পাশাপাশি চোখের ড্র’পের সংকট দেখা দিেেয়ছে।
চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর চক্ষু বিভাগে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্র্স লক্ষিরানী ব্যাপারী জানান, প্রতিদিনই চোখ ওঠা আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভীড় করছেন। গত একমাসে ১২২১জন চোখ ওঠা রোগী এখন থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন তবে কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রইভেট ডাক্তরদের কাছে এর দ্বিগুন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে অনেকে জানিয়েছেন। বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া গ্রামের অহিদ মিয়া জানান, তাদের এলাকায় প্রতিটি ঘরে চোখ ওঠা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। অসংখ্য লোক এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে।
এবিষয় জানতে চাইলে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মামুন হাসান বলেন, ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা একটি মৌসুমী ভাইরাসজনিত রোগ। গত একমাস যাবত এর পাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়া একসপ্তহে এরোগ ভালো হয়। তবে চোখে জ্বালাযন্ত্রনা হলে চিকিৎসকের পরমর্শ নিয়ে ড্রপ ও ওষুধ ব্যাবহার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন , যেহেতু রোগটি ছোয়াচে তাই অন্যের সংস্পর্শে না এসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ এসে ডাক্তারের পরমর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।পাশাপাশি কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে ও এই রোগের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.