সোহেল রানা বাবু,বাগেরহাট প্রতিনিধি
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে বাগেরহাটের মণ্ডপগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা তৈরির কারিগরেরা।
এবছর সদর উপজেলার সিকদার বাড়িতে দক্ষিন এশিয়ার সবচেয়ে বেশী প্রতিমা সম্বলিত সর্ববৃহৎ দুর্গাপূজার মন্ডপে কোন উৎসব না হলেও প্রথম বারের মতো বাগেরহাটের চিতলমারি উপজেলার খাসেরহাট গ্রামে ১৫১ টি প্রতিমা নিয়ে সর্বজনীন দুর্গাপূজা আয়োজন করা হচ্ছে।পূজাকে নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারী নেওয়া হয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রাম সবখান জুড়েই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জাকজমকপূর্ন ভাবে এই উৎসব পালন করেন। জেলায় এবার ৬৩৬ টি মন্ডপে শারদীয় পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৯ অক্টোবর বুধবার মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গাপূজা এবং ১৩ অক্টোবর রবিবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গাপূজা। এর আগে আগামী ২ অক্টোবর বুধবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের শুরু।
এবছর সদর উপজেলার শিকদার বাড়িতে দেশের সর্ববৃহৎ তথা দক্ষিন এশিয়ার সবচেয়ে বেশী প্রতিমা সম্বলিত দুর্গাপূজা উৎসব না হলেও প্রথম বারের মতো বাগেরহাট সদর উপজেলার চিতলমারির খাসের হাট গ্রামে ১৫১ টি প্রতিমা নিয়ে সর্বজনীন দুর্গাপূজা আয়োজন করা হয়েছে। এই মন্দিরের ভেতরে এখন শোভা পাচ্ছে ছোট-বড় প্রতিমা। বাঁশ-কাঠ আর কাদামাটি দিয়ে তৈরি প্রতিমাগুলো দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন সনাতন ধর্মের লোকজন।
প্রতিটি মন্দিরে মন্দিরে পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাষ্কর শিল্পীরা। একনিষ্ঠ চিত্তে নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মাটি লাগানোর কাজে ব্যস্ত তারা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেউ কাদা তৈরি করছেন, কেউ আবার কাদা দিয়ে হাত-পা বানাচ্ছেন। বেশিরভাগ এলাকাতেই প্রতিমাতে কাদামাটি লাগানোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
দোমাটির কাজ শেষ পর্যায়ে এরপর শুরু হবে প্রতিমাতে রংতুলির ছোঁয়া ও সাজসজ্জার কাজ বলে জানালেন প্রতিমা শিল্পীরা।
প্রতি বছরের মতো আয়োজক ও সনাতন ধর্মালম্বীদের আশা এবারও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের সর্ববৃহৎ এই উৎসব পালন করবেন।
এদিকে পুজা উদযাপনের প্রস্তুতি ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলায় সভা করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোঃ তৌহিদুল আরিফ জানান, প্রতিটি পূজামণ্ডপে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সব পূজামণ্ডপে আনসার নিয়োগের পাশাপাশি সেনাবাহিনী টহল দিবেন। তাছাড়া প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য টহল পুলিশ এবং পূজা মণ্ডপগুলোর জন্য মোবাইল টিম থাকবে। সার্বক্ষণিক টহল পুলিশ ব্যবস্থাও জোরদার করা হবে।
সম্প্রীতির বাংলাদেশে সফলতার মধ্য দিয়ে শেষ হোক এই দুর্গোৎসব এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.