এম এ ফয়সাল,তালা
তালা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পানি নিষ্কাশনের খাস খাল দখল এবং কালভার্টের মুখে বাঁধ দিয়ে মৎস্য ঘরের চতুরপাশের সরকারি রাস্তা বেড়ীবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে এবং জণগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো ঘেরের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে তেঁতুলিয়া, ইসলামকাটি, খলিলনগর, খেশরা ও খলিষখালি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, ঘের মালিকরা খাস খাল ও কালভার্টের মুখে বাঁধ দিয়ে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে মৎস্য ঘেরের চারপাশের সরকারি সড়ক বেড়ীবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার ফলে পানির তোড়ে অনেক সড়ক ভেঙ্গে ঘেরের অংশে পরিণত হয়েছে।
তেতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী, মনিরুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, মশিয়ার রহমান ও স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল গফ্ফার জানান, অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের, খাস খাল দখল এবং কালভার্টের মুখে বাঁধ দেওয়ার কারণে পানি নিষ্কাশনের পথে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে যা কৃত্রিম জলাবদ্ধতার কারণ হিসেবে বিবেচিত।
তালা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তারিক ইমাম বলেন, “অধিকাংশ মৎস্য ঘের অনুমোদিত নয়। সরকারি রাস্তা বেড়ীবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, এই বিষয়ে এসি ল্যান্ড ও ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
তালা উপজেলা নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রাণী সরকার জানান, “উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছি। জলাবদ্ধতা নিরসনে নেটপাটা অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে নেটপাটা অপসারণ ও কালভার্ট ও খাল উন্মুক্ত করার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানদের মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রদান করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘের মালিকদের নিজ দায়িত্বে কালভার্টের মুখ পরিস্কার ও নেটপাটা অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.