আবিদ হাসান, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে গালা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদগালা গ্রামের বাসিন্দা তারা বানু (৯৩) জীবিত থাকলেও মৃত দেখিয়ে তার জায়গায় অন্য একজনকে বয়স্ক ভাতা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তারা বানু একই এলাকার মৃত হাকিমদ্দিন মোল্লার স্ত্রী। এ ঘটনায় ভাতা কার্ড আরেকজনকে দেয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ১ নং ওয়ার্ড সদস্য দেওয়ান হাবিবুর রহমান হারেজের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার লিখিত অভিযোগ করেন তারা বিবির ছেলে হাসমত মোল্লা। হাবিবুর রহমান হারেজ গালা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
তারা বানুর ছেলে হাসমত মোল্লা বলেন, “আমার মা দীর্ঘদিন (১৬-১৭ বছর) ধরে নিয়মিত বয়স্ক ভাতা পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু গত এক বছর ধরে তাকে মৃত দেখিয়ে তার ভাতা অন্য একজনকে দেওয়া হয়েছে। অথচ তিনি এখনো বেঁচে আছেন। ।
নিজেই জীবিত থাকার কথা জানিয়ে তারা বানু বলেন, “আমি বাইচা আছি, মৃত কেমনে? আমার নাম কাইটা দিছে, এখন কিছুই পাই না।
এ বিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আঈয়ুব আলী বলেন, “চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ইউপি মেম্বারের প্রত্যয়নেই তারামন বিবিকে মৃত হিসেবে ভাতা প্রাপ্তির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।” ৩ দিনে প্রতিবেদন দিতে বললেও ১৬ দিনেও কেনো দেয়া হয়নি জানতে চাইলে বলেন, আমার একটু দেরি হয়ে গেছে। আর উনার কার্ডের বিষয়ে দেখবেন।
ভুল স্বীকার করে এ বিষয়ে গালা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য দেওয়ান হাবিবুর রহমান বলেন, আমার একটু ভুল হয়েছে। আমি মৃত সনদ দেইনি। ইউপি থেকে ভুলে মৃতের প্রত্যয়ন দেয়া হয়েছে। আর আরেকজনকে ভাতা কার্ড দিলেও কোন বাড়তি সুবিধা নেননি।
এ বিষয়ে জানতে জেলা বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিক বিশ্বাসের মোবাইলে কল দিলে আরেকজন ফোন ধরায় বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
এদিকে হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কোহিনুর আক্তার বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.