মো. সাদ্দাম হোসেন, সিলেট প্রতিনিধি
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (গতকাল) দুপুরে সিলেটের সীমান্তবর্তী এই এলাকায় লুটপাটের ঘটনা তদন্তে আসে দুদক সিলেট কার্যালয়ের একটি দল।
বিগত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কয়েক শত কোটি টাকার পাথর লুটপাট চললেও দুদক এত দেরিতে কেন এল—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিলেট দুদকের উপপরিচালক রাফি মো. নাজমুস সাদাত বলেন, ‘মূলত এটি স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব। তাদের আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল। তাছাড়া খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোরও যথাযথ ভূমিকা রাখা দরকার ছিল। এখানে রাষ্ট্রীয় সম্পদ—যার মূল্য কয়েক শত কোটি টাকা—তা লুট হয়ে গেছে।’
লুটপাট হয়ে যাওয়ার পরে দুদক এল কেন—এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করি। নির্দেশনা পাওয়ার পরই এখানে এসেছি। এছাড়াও, সিলেট অফিস থেকে সাদাপাথরের দূরত্ব অনেক। জনবল সংকটও রয়েছে।’
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দুদক কর্মকর্তারা জানান, লুট হওয়া পাথরের বড় একটি অংশ এখনো ভোলাগঞ্জ এলাকাতেই রয়েছে এবং আশপাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্টোন ক্রাশার মিলে সেগুলো ভাঙা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় প্রভাবশালীরা এই লুটপাটের সঙ্গে জড়িত। আমরা পরিদর্শনের প্রতিবেদন প্রধান কার্যালয়ে পাঠাব। এরপর তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা এই লুটে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রায় এক বছর ধরেই সাদাপাথরে লুটপাট চলছিল। তবে গত ১৫ দিনে তা ভয়াবহ রূপ নেয়। পুরো এলাকা থেকে পাথর তুলে নেয়া হয়েছে, ফলে জায়গাটি এখন মরুভূমির মতো হয়ে গেছে।
এদিকে এই ঘটনার পর জেলা প্রশাসন এক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.