আবদুল জলিল, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বন্যার পানিতে হাজার বিঘার গোচারণভূমিসহ বিস্তীর্ণ জমি তলিয়ে গেছে। এতে গবাদিপশুর জন্য মিলছে না সবুজ ঘাস। বাধ্য হয়ে খামারিরা খড়, কচুরি, খৈল, ভুসি ও প্যাকেটজাত গোখাদ্যের ওপর নির্ভর করছেন। তবে এসব খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।
খামারিরা জানান, বন্যার পানি আসার পরপরই খৈল, ভুসি ও প্যাকেটজাত গোখাদ্যের দাম এক লাফে দুই থেকে চারশ টাকা বেড়ে গেছে। ফলে গবাদিপশুর লালন-পালন খরচ বেড়েছে, অথচ দুধ উৎপাদন কমে গেছে। ছোট জায়গায় গাদাগাদি করে গরু রাখায় খুরা, তড়কা, ম্যাসটাইটিসসহ নানা রোগও ছড়িয়ে পড়ছে।
সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামের খামারি আইয়ুব আলী বলেন, “গরু বিক্রি করে গোখাদ্যের দামই উঠছে না। গরু লালন-পালনে এখন লোকসান গুনতে হচ্ছে।”
অন্য খামারি অজেদ হোসেন জানান, “আগে বাথানে গরু রেখে সবুজ ঘাস খাওয়ানো যেত, দুধও বেশি হতো। এখন সবুজ ঘাস পানিতে তলিয়ে গেছে। গরু বাড়িতে ইটের ওপর রাখা হচ্ছে। ফলে দুধ কম হচ্ছে, আবার নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।”
তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হচ্ছে। সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুরা, তড়কা, ম্যাসটাইটিসসহ নানা রোগ প্রতিরোধে মাঠে কাজ করছেন পশু চিকিৎসকেরা। একই সঙ্গে টিকা ও কৃমিনাশক ব্যবহারের বিষয়ে খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
এদিকে খামারিরা দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে আরও বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.